• ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩, বুধবার ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Central Force

রাজ্য

ভোট মিটেছে, বাহিনী ফেরেনি! বাংলায় এবার ১০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী, কারণ কী?

ভোট শেষ হয়ে গিয়েছে। সাধারণত তার পর ধাপে ধাপে রাজ্য থেকে কেন্দ্রীয় বাহিনী প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়। কিন্তু এ বার ছবিটা অন্য রকম। বাংলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও শক্ত হাতে নিয়ন্ত্রণে রাখতে রাজ্যে মোতায়েন কেন্দ্রীয় বাহিনীর সংখ্যা দ্বিগুণ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। ফলে বাংলায় এখন মোট ১০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় আধাসামরিক বাহিনী মোতায়েন থাকবে।২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ ভোটের জন্য বাংলায় বিপুল সংখ্যক কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছিল। ভোট মিটে যাওয়ার পর ধাপে ধাপে সেই বাহিনী প্রত্যাহার করে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। তবে ভোট-পরবর্তী পরিস্থিতির দিকে নজর রাখতে রাজ্যে ৫০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী রেখে দেওয়া হয়েছিল।এ বার সেই সংখ্যাই আরও ৫০ কোম্পানি বাড়ানো হচ্ছে। নতুন করে যে বাহিনী বাংলায় আসছে, তার মধ্যে রয়েছে সীমান্ত সুরক্ষা বাহিনী, সশস্ত্র সীমা বল এবং কেন্দ্রীয় রিজার্ভ পুলিশ বাহিনী। নতুন ৫০ কোম্পানি যোগ হলে রাজ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনীর মোট সংখ্যা দাঁড়াবে ১০০ কোম্পানিতে।কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের এই সিদ্ধান্তের পরেই প্রশ্ন উঠেছে, ভোট শেষ হওয়ার পরও কেন বাংলায় এত বিপুল সংখ্যক কেন্দ্রীয় বাহিনী রাখা হচ্ছে? প্রশাসনিক সূত্রের দাবি, এর পিছনে অন্য কোনও কারণ নেই। রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও শক্তিশালী করা এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।জানা গিয়েছে, রাজ্য প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় রেখে বিভিন্ন স্পর্শকাতর এবং গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় টহলদারি চালাবে কেন্দ্রীয় বাহিনী। অপ্রীতিকর ঘটনা ঠেকানো, এলাকায় নিরাপত্তা বাড়ানো এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে আস্থা তৈরি করাই হবে বাহিনীর মূল লক্ষ্য। স্থানীয় পুলিশ এবং রাজ্য পুলিশের বিশেষ দলের সঙ্গেও সমন্বয় করে কাজ করবে তারা।নির্বাচনের সময় কেন্দ্রীয় বাহিনীর উপস্থিতি নতুন কিছু নয়। কিন্তু ভোট শেষ হওয়ার পর বাহিনীর সংখ্যা কমার বদলে আরও বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিঃসন্দেহে তাৎপর্যপূর্ণ। যদিও প্রশাসনের তরফে স্পষ্ট করে বলা হয়েছে, এই সিদ্ধান্তের সঙ্গে কোনও বিশেষ ঘটনার যোগ নেই। শুধুমাত্র বাংলার আইনশৃঙ্খলা আরও সুদৃঢ় রাখতেই রাজ্যে অতিরিক্ত ৫০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী পাঠানো হচ্ছে।

আগস্ট ১৯, ২০২৬
কলকাতা

ক্ষুদিরাম থেকে শাখাওয়াত, সর্বত্র কড়া পাহারা—কারচুপির আশঙ্কায় চরম সতর্কতা

বঙ্গের ভোট রাজনীতিতে এবার স্ট্রংরুম ঘিরে তীব্র বিতর্ক তৈরি হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাত থেকেই একাধিক জায়গায় উত্তেজনা ছড়ায়। প্রথমে ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্র, পরে শাখাওয়াত মেমোরিয়ালদুই জায়গাতেই উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতি তৈরি হয়। একদিকে তৃণমূলের কুণাল ঘোষ ও শশী পাঁজা ধর্নায় বসেন, অন্যদিকে সেখানে উপস্থিত হন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। গভীর রাত পর্যন্ত স্ট্রংরুমের বাইরে টানটান পরিস্থিতি ছিল। তৃণমূল ও বিজেপির মধ্যে চাপানউতোর চলতে থাকে। শুক্রবার সকালেও সেই উত্তেজনা বজায় রয়েছে।সকালে আবার ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রে পৌঁছন কুণাল ঘোষ ও শশী পাঁজা। অন্যদিকে বিজেপির এজেন্টরাও স্ট্রংরুমের বাইরে উপস্থিত হয়ে পাহারা দিচ্ছেন বলে দাবি করেছেন। তাঁদের বক্তব্য, কোনওরকম অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতেই তাঁরা সেখানে রয়েছেন।গতকালের ঘটনার পর স্ট্রংরুমগুলোর নিরাপত্তা আরও জোরদার করা হয়েছে। শাখাওয়াত মেমোরিয়ালে গতরাতে গিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি ইভিএম কারচুপির অভিযোগ তুলেছিলেন, যদিও নির্বাচন কমিশন সেই অভিযোগ অস্বীকার করেছে। প্রায় চার ঘণ্টা সেখানে থাকার পর তিনি বেরিয়ে এসে নিরাপত্তা বাড়ানোর কথা বলেন এবং প্রয়োজনে প্রার্থীদের নিজেদের ইভিএম পাহারা দেওয়ার পরামর্শ দেন। তিনি আরও বলেন, সংবাদমাধ্যমের জন্য সিসিটিভি দেখার ব্যবস্থা করা উচিত।এই ঘটনার পর শাখাওয়াত মেমোরিয়ালে তিন স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা করা হয়েছে। ভিতরে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন রয়েছে এবং বাইরে পুলিশ পুরো এলাকা ঘিরে রেখেছে। স্কুলের আশেপাশে প্রবেশের উপর কড়া নিয়ন্ত্রণ জারি হয়েছে এবং নির্দিষ্ট দূরত্বের মধ্যে ঢুকতে পরিচয়পত্র দেখাতে হচ্ছে।ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রেও একই রকম কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। সেখানে কলকাতার সাতটি বিধানসভা কেন্দ্রের স্ট্রংরুম রাখা হয়েছে। পুরো এলাকাকে প্রায় দুর্গে পরিণত করা হয়েছে। গার্ডরেল দিয়ে ঘিরে ফেলা হয়েছে এবং ভিতরে ঢোকার আগে কড়া তল্লাশি করা হচ্ছে। পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী যৌথভাবে নজরদারি চালাচ্ছে।এই পরিস্থিতিতে গণনার আগে স্ট্রংরুম ঘিরে উত্তেজনা আরও বাড়ছে এবং রাজনৈতিক মহলে উদ্বেগও বাড়ছে।

মে ০১, ২০২৬
কলকাতা

ভোটের আগে কড়া নজরদারি! পাড়ায় পাড়ায় বাইকে টহল দেবে বাহিনী

প্রথম দফার ভোট শেষ হতেই দ্বিতীয় দফার জন্য প্রস্তুতি আরও জোরদার করল নির্বাচন কমিশন। এবার একশো বিয়াল্লিশটি কেন্দ্রকে সামনে রেখে নিরাপত্তা ব্যবস্থা সাজানো হয়েছে। রবিবার ধনধান্য অডিটোরিয়ামে এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে পুলিশ ও বাহিনীকে বিস্তারিত দায়িত্ব বুঝিয়ে দেওয়া হয়।কমিশন জানিয়েছে, ভোটে কোনও অশান্তি যাতে না হয়, তার জন্য পাড়ায় পাড়ায় নজরদারি বাড়ানো হচ্ছে। এবার অলিগলিতেও পৌঁছে যাবে কেন্দ্রীয় বাহিনী। মোট একশো ষাটটি মোটরবাইকে জওয়ানরা টহল দেবেন। প্রতিটি বাইকে থাকবেন দুজন করে জওয়ান। কোথাও কোনও গোলমাল দেখা দিলেই দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।দ্বিতীয় দফার ভোটে মূল লক্ষ্য হল শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠু ভোটগ্রহণ। সেই কারণে ভোটের আগে থেকে গণনা পর্যন্ত কীভাবে নিরাপত্তা বজায় রাখা হবে, তা নিয়েও বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। কোথায় কত বাহিনী থাকবে, কোথায় দ্রুত প্রতিক্রিয়া দল মোতায়েন করা হবে, সবকিছুর খুঁটিনাটি পরিকল্পনা করা হয়েছে।বিশেষ করে স্পর্শকাতর এলাকাগুলিতে বাড়তি নজর রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। শুধু ভোটকেন্দ্রেই নয়, ভোটারদের যাতায়াতের পথেও নজরদারি জোরদার করা হবে। প্রয়োজন হলে সেখানে নজরদারি যন্ত্র বসানো হবে বলেও জানানো হয়েছে।এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন কলকাতার পুলিশ কমিশনার, রিটার্নিং অফিসার, উত্তর ও দক্ষিণ কলকাতার জেলা নির্বাচন আধিকারিক এবং সাধারণ ও পুলিশ পর্যবেক্ষকরা। এছাড়াও বিশেষ পর্যবেক্ষকরাও উপস্থিত ছিলেন।এদিকে অবাধ ও শান্তিপূর্ণ ভোট নিশ্চিত করতে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকও বিভিন্ন জেলায় ঘুরে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখছেন। রবিবার তিনি দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার কাকদ্বীপে গিয়ে প্রশাসনের সঙ্গে বৈঠক করেন।

এপ্রিল ২৬, ২০২৬
রাজ্য

চারটার পরেই আগুন! বীরভূমে ভোটকেন্দ্রে তুমুল সংঘর্ষ, কেন্দ্রীয় বাহিনীকে মারধর

বীরভূমের খয়রাশোল এলাকায় ভোট চলাকালীন হঠাৎই পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ নেয়। বিকেল চারটার পর থেকেই অশান্তির আশঙ্কা ছিল বলে আগে থেকেই সতর্ক করেছিল নির্বাচন কমিশন। সেই আশঙ্কাই সত্যি হয়ে ওঠে। দুবরাজপুর বিধানসভার খয়রাশোল ব্লকের বুধপুর গ্রামের একটি বুথে আচমকাই উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং মুহূর্তের মধ্যে তা খণ্ডযুদ্ধে পরিণত হয়।স্থানীয় ভোটারদের অভিযোগ, ইভিএমে নির্দিষ্ট বোতাম চাপলেও অন্য প্রার্থীর পক্ষে ভোট চলে যাচ্ছে। প্রায় দুইশো ভোট পড়ার পর এই বিষয়টি ধরা পড়ে বলে দাবি করেন গ্রামবাসীরা। এই অভিযোগ ঘিরে ভোটারদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ তৈরি হয় এবং তাঁরা সঙ্গে সঙ্গে ভোট প্রক্রিয়া বন্ধ করার দাবি তোলেন। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠতেই ভোট বন্ধ করে দেওয়া হয় এবং প্রশাসনকে খবর দেওয়া হয়।খবর পেয়ে ইঞ্জিনিয়ারদের আসার কথা জানানো হয়। কিন্তু তার আগেই কেন্দ্রীয় বাহিনীর সঙ্গে স্থানীয়দের তীব্র বচসা শুরু হয়। অল্প সময়ের মধ্যেই তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। অভিযোগ, স্থানীয়রা জওয়ানদের লক্ষ্য করে ইট-পাটকেল ছুড়তে শুরু করেন এবং মারধরও করা হয়। এই ঘটনায় কয়েকজন জওয়ান ও গাড়ির চালক আহত হন। বেশ কয়েকটি গাড়ি ভাঙচুর করা হয়।পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ঘটনাস্থলে বিশাল পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয়। জনতাকে ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশকে আগ্নেয়াস্ত্র উঁচিয়ে এগোতে দেখা যায়। গোটা এলাকায় এখনো চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে।

এপ্রিল ২৩, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের আগে বড় আতঙ্ক! একসঙ্গে অসুস্থ বহু জওয়ান, তড়িঘড়ি রিপোর্ট তলব কমিশনের

ভোটের আর মাত্র এক সপ্তাহ বাকি, তার মধ্যেই কোচবিহারে হঠাৎ একের পর এক কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ান অসুস্থ হয়ে পড়ায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। এই ঘটনাকে ঘিরে উদ্বেগ বাড়তেই জেলা নির্বাচনী আধিকারিকের কাছ থেকে বিস্তারিত রিপোর্ট তলব করেছে নির্বাচন কমিশন। আজ, বৃহস্পতিবারের মধ্যেই সেই রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কেন এমন ঘটনা ঘটল, কী কারণে জওয়ানরা অসুস্থ হলেন, সেই সব বিষয়ে বিস্তারিত জানতে চাওয়া হয়েছে।ভোটের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে রাজ্যে বিভিন্ন জায়গায় কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। তাঁদের থাকার জন্য স্কুল ও অন্যান্য ভবনে অস্থায়ী শিবির তৈরি করা হয়েছে। তুফানগঞ্জের একটি স্কুলেও এমনই একটি শিবিরে ছিলেন জওয়ানরা। বুধবার সন্ধ্যায় আচমকা ২৪ জন জওয়ান অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাঁদের মধ্যে ১৪ জনকে দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়। বাকি ১০ জন প্রাথমিক চিকিৎসার পর সুস্থ হয়ে ফিরে যান বলে হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে।অসুস্থ জওয়ানদের মধ্যে বেশিরভাগই তীব্র পেটের সমস্যায় ভুগছিলেন। দ্রুত তাঁদের তুফানগঞ্জ মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। চিকিৎসকদের প্রাথমিক অনুমান, খাদ্যে বিষক্রিয়ার কারণেই এই ঘটনা ঘটতে পারে। তবে জানা যাচ্ছে, জওয়ানরা নিজেরাই রান্না করে খাচ্ছিলেন।ঠিক কোন খাবার বা পানীয় থেকে এই সমস্যা হয়েছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রয়োজন হলে তাঁদের খাওয়ার জল ও খাবারের নমুনা পরীক্ষা করা হবে বলে প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে। এই ঘটনার পর ভোটের আগে নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

এপ্রিল ১৬, ২০২৬
রাজ্য

ভোটে নজিরবিহীন নিরাপত্তা! বাংলায় নামছে হাজার হাজার কেন্দ্রীয় বাহিনী

অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতে সবরকম প্রস্তুতি নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন। ভোটের দিন ঘোষণা করার সময়ই মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার জানিয়েছিলেন, নিরাপত্তায় কোনওরকম ঢিলেমি রাখা হবে না। এবার প্রথম দফার ভোটের জন্য বড় সিদ্ধান্ত নিল কমিশন। জানানো হয়েছে, এই দফায় রাজ্যে মোতায়েন করা হবে মোট ২৪০৭ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী।প্রথম দফার ভোট হবে ২৩ এপ্রিল। এই দফাতেই রাজ্যের ১৫২টি আসনে ভোটগ্রহণ হবে। উত্তরবঙ্গের সমস্ত জেলাতেই এই দিন ভোট হবে। এর মধ্যে রয়েছে দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার, উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর এবং মালদহ। পাশাপাশি মুর্শিদাবাদ, বীরভূম, পশ্চিম বর্ধমান, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, ঝাড়গ্রাম, পশ্চিম মেদিনীপুর এবং পূর্ব মেদিনীপুর জেলাতেও এই দফায় ভোট নেওয়া হবে।কমিশনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, সবচেয়ে বেশি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হচ্ছে মুর্শিদাবাদ জেলায়। সেখানে মোট ৩১৬ কোম্পানি বাহিনী থাকবে। এর মধ্যে জঙ্গিপুর পুলিশ জেলায় ৭৬ কোম্পানি এবং মুর্শিদাবাদ পুলিশ জেলায় ২৪০ কোম্পানি বাহিনী মোতায়েন করা হবে।উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতেও কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে। দার্জিলিংয়ে ৬১ কোম্পানি, শিলিগুড়ি পুলিশ কমিশনারেটে ৪৪ কোম্পানি, কালিম্পংয়ে ২১ কোম্পানি, জলপাইগুড়িতে ৯২ কোম্পানি, আলিপুরদুয়ারে ৭৭ কোম্পানি এবং কোচবিহারে ১৪৬ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকবে। এছাড়া ইসলামপুর পুলিশ জেলায় ৬১ কোম্পানি, রায়গঞ্জ পুলিশ জেলায় ৭১ কোম্পানি, দক্ষিণ দিনাজপুরে ৮৩ কোম্পানি এবং মালদহে ১৭২ কোম্পানি বাহিনী মোতায়েন করা হবে।দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতেও ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। পূর্ব মেদিনীপুরে ২৭৩ কোম্পানি, পশ্চিম মেদিনীপুরে ২৭১ কোম্পানি, ঝাড়গ্রামে ৭৪ কোম্পানি, বাঁকুড়ায় ১৯৩ কোম্পানি, পুরুলিয়ায় ১৫১ কোম্পানি এবং বীরভূমে ১৭৬ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকবে। আসানসোল-দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেট এলাকায় মোতায়েন থাকবে ১২৫ কোম্পানি বাহিনী।কমিশন স্পষ্ট জানিয়েছে, যাতে ভোটগ্রহণ নির্বিঘ্নে হয়, তার জন্য কোনওরকম ফাঁক রাখা হচ্ছে না। সর্বত্র কড়া নজরদারি এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হচ্ছে।

এপ্রিল ১৫, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের আগে বড় সিদ্ধান্ত! রাজ্যে বাড়ল কেন্দ্রীয় বাহিনী, নজিরবিহীন নিরাপত্তা

ভোটের আগে রাজ্যে নিরাপত্তা আরও কড়া করতে বড় সিদ্ধান্ত নিল নির্বাচন কমিশন। নতুন করে আরও একশো পঞ্চাশ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হচ্ছে। এর ফলে মোট বাহিনীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল দুই হাজার পাঁচশো পঞ্চাশ কোম্পানিতে। এর আগে দুই হাজার চারশো কোম্পানি বাহিনী ছিল রাজ্যে। কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রয়োজন হলে ভবিষ্যতে আরও বাহিনী বাড়ানো হতে পারে।নির্বাচন কমিশনের দাবি, সুষ্ঠু, অবাধ এবং শান্তিপূর্ণ ভোট নিশ্চিত করতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। ভোটের দফা কমিয়ে দুই করা হলেও নিরাপত্তায় কোনও রকম ফাঁক রাখতে চাইছে না কমিশন।এ বার রাজ্যে দুই দফায় ভোট গ্রহণ হবে আগামী তেইশ এবং উনত্রিশ এপ্রিল। ফল ঘোষণা হবে চার মে। দফা কমানোর সময়ই মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জানিয়ে দিয়েছিলেন, ভোটে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করা হবে।এ বার পর্যবেক্ষকের সংখ্যাও অনেক বেশি। প্রত্যেক বিধানসভা কেন্দ্রে একজন করে সাধারণ পর্যবেক্ষক নিয়োগ করা হয়েছে। পাশাপাশি পুলিশ ও খরচ সংক্রান্ত পর্যবেক্ষকের সংখ্যাও বাড়ানো হয়েছে।ভোট ঘোষণার আগেই কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা রাজ্যে পৌঁছে গিয়েছেন। বিভিন্ন এলাকায় টহল ও রুটমার্চ চলছে। এর মধ্যেই আবার নতুন করে বাহিনী বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হল। কেন্দ্র জানিয়েছে, আগামী আঠারো এপ্রিলের মধ্যে এই অতিরিক্ত বাহিনী রাজ্যে এসে দায়িত্ব নিতে শুরু করবে।এই বাহিনীর মধ্যে রয়েছে কেন্দ্রীয় সশস্ত্র পুলিশ বাহিনীর বেশ কিছু কোম্পানি। পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন রাজ্য থেকেও বিশেষ সশস্ত্র পুলিশ আনা হচ্ছে। সব মিলিয়ে ভোটের আগে নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করা হচ্ছে।

এপ্রিল ০৮, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের আগে বিস্ফোরক অভিযোগ! কেন্দ্রীয় বাহিনী মহিলাদের তল্লাশি করবে, দাবি মমতার

ভোট যত এগিয়ে আসছে, ততই বাড়ছে রাজনৈতিক উত্তাপ। দফায় দফায় কেন্দ্রীয় বাহিনী পাঠানো হচ্ছে রাজ্যে এবং কড়া নিরাপত্তার মধ্যেই ভোটগ্রহণের প্রস্তুতি চলছে। এই পরিস্থিতিতে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে ঘিরেই বিস্ফোরক অভিযোগ তুললেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর দাবি, নিরাপত্তার নামে মহিলাদেরও তল্লাশি করার পরিকল্পনা করা হয়েছে এবং এর জন্য একটি বিশেষ সংস্থাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।মমতা প্রশ্ন তোলেন, বুথের ভিতরে কেন কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকবে, আর বুথ এজেন্টদের বাইরে রাখা হবে কেন। তাঁর কথায়, ভোট তো কেন্দ্রীয় বাহিনী দেবে না, তাই তাদের বুথের ভিতরে থাকার প্রয়োজন কী। তিনি অভিযোগ করেন, অন্য রাজ্যে ভোটে অনিয়ম হয়েছে এবং এখানে সেই রকম কিছু করার চেষ্টা হতে পারে। তিনি আরও বলেন, এমন একটি সংস্থা নিযুক্ত করা হয়েছে যাতে সাধারণ মানুষ ঠিকভাবে ভোট দিতে না পারেন।এখানেই থেমে থাকেননি মুখ্যমন্ত্রী। তিনি দাবি করেন, আইটিবিপি এবং বিএসএফের আধিকারিকরা এসে জানিয়েছেন, মহিলাদেরও শারীরিক তল্লাশি করা হবে। এই বিষয়টি নিয়ে তীব্র আপত্তি জানিয়ে তিনি বলেন, মহিলাদের গায়ে হাত দেওয়া হলে মানুষ যেন তার জবাব ভোটের মাধ্যমে দেয়।মুখ্যমন্ত্রীর এই অভিযোগকে তীব্রভাবে আক্রমণ করেছে বিজেপি। দলের মুখপাত্র দেবজিৎ সরকার বলেন, এই ধরনের মন্তব্য সরাসরি প্ররোচনামূলক এবং সংবিধানের পরিপন্থী। তাঁর দাবি, নির্বাচন কমিশনকে উদ্দেশ্য করে এই ধরনের বক্তব্য দেওয়া হচ্ছে এবং যারা এমন কথা বলছেন, তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। তিনি আরও বলেন, প্রয়োজনে তাদের জনসভা করার অধিকার এবং প্রার্থীপদও বাতিল করা উচিত।মেটা বিবরণ: ভোটের আগে কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিস্ফোরক অভিযোগ, মহিলাদের তল্লাশি নিয়ে বিতর্ক, পাল্টা আক্রমণ বিজেপির।

এপ্রিল ০৬, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের আগে বড় সিদ্ধান্ত! পুলিশের ভূমিকা কমিয়ে আধা সেনার হাতে দায়িত্ব? জল্পনা তুঙ্গে

ভোটের আগে রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের সাম্প্রতিক বৈঠকের পর রাজনৈতিক মহলে আলোচনা, ভোটের কয়েক দিন আগে থেকেই রাজ্যে নিরাপত্তা ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তন আনা হতে পারে। সূত্রের খবর, জেলা প্রশাসন, পুলিশ আধিকারিক এবং পর্যবেক্ষকদের সঙ্গে বৈঠকে কমিশনের তরফে এমন ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে যে, ভোটের পাঁচ দিন আগে থেকে এলাকায় আইনশৃঙ্খলার দায়িত্ব মূলত কেন্দ্রীয় বাহিনীর হাতে তুলে দেওয়া হতে পারে।এই পরিকল্পনা কার্যকর হলে রাজ্য পুলিশের ভূমিকা অনেকটাই সীমিত হয়ে যাবে বলে মনে করা হচ্ছে। পুলিশ মূলত আইনগত কাজ ও নথিপত্র সামলাবে, আর নিরাপত্তার দায়িত্ব থাকবে আধা সেনার হাতে। ভোটের দিনেও একই ব্যবস্থা বজায় রাখার কথা ভাবা হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে। আগে বুথে ভোটারদের লাইনে শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং বিভিন্ন সহায়তার দায়িত্বে পুলিশ থাকত, এবার সেই দায়িত্ব অন্যভাবে ভাগ করা হতে পারে।অন্যদিকে, প্রার্থীদের জন্য নতুন নিয়মও জারি করেছে কমিশন। মনোনয়ন জমা দেওয়ার সময় তাঁদের সমাজমাধ্যমে থাকা সব অ্যাকাউন্টের বিস্তারিত তথ্য দিতে হবে। কোন কোন মাধ্যমে তাঁদের অ্যাকাউন্ট রয়েছে এবং কতগুলি অ্যাকাউন্ট রয়েছে, তা হলফনামায় উল্লেখ করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।ভোটের আগে ভুয়ো প্রচার রুখতে আরও কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। কমিশন জানিয়েছে, সমাজমাধ্যম বা ইন্টারনেটে কোনও রাজনৈতিক বিজ্ঞাপন দেওয়ার আগে নির্দিষ্ট কমিটির অনুমোদন নিতে হবে। অনুমতি ছাড়া বিজ্ঞাপন দিলে তা নিয়মভঙ্গ বলে গণ্য হবে এবং ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এই নিয়ম প্রার্থী, রাজনৈতিক দল ও সংগঠনসবার ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য।এছাড়া বিজ্ঞাপনের অনুমোদন নিয়ে কোনও আপত্তি থাকলে তার জন্য আলাদা আপিলের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। একই সঙ্গে সংবাদমাধ্যমে অর্থের বিনিময়ে প্রচার বা খবর প্রকাশ হচ্ছে কি না, তাও নজরে রাখা হবে।এদিকে, অতিরিক্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের কথা থাকলেও ইদের কারণে তা পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে। সোমবার প্রথম তালিকা প্রকাশ করা হতে পারে এবং ওই সপ্তাহেই দ্বিতীয় তালিকাও আসতে পারে। কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, ইতিমধ্যেই বহু আবেদন নিষ্পত্তি হয়েছে। পাশাপাশি এই মাসের মধ্যেই আরও কেন্দ্রীয় বাহিনী রাজ্যে আসতে পারে বলে খবর।সব মিলিয়ে ভোটের আগে রাজ্যে প্রশাসনিক ও নিরাপত্তা ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তনের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে, যা নিয়ে রাজনৈতিক উত্তেজনা ক্রমশ বাড়ছে।

মার্চ ২১, ২০২৬
রাজ্য

যে কোনও মুহূর্তে প্রয়োজন হতে পারে! কেন্দ্রীয় বাহিনীকে সতর্ক থাকার নির্দেশ

ভোটার তালিকা প্রকাশ, দোলযাত্রা ও হোলি উৎসবকে সামনে রেখে পশ্চিমবঙ্গে বিশেষ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। সম্ভাব্য আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি মোকাবিলায় রাজ্য পুলিশের তরফে কঠোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। শুক্রবার জারি হওয়া অর্ডার নম্বর ৪১২ অনুসারে সমস্ত বাহিনীকে প্রস্তুত থাকতে বলা হয়েছে। রাজ্যের বিভিন্ন সশস্ত্র বাহিনী ও বিশেষ ইউনিটগুলিকে জরুরি পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত রাখা হচ্ছে।ডিআইজি, আইজিপি এবং এডিজি-সহ সংশ্লিষ্ট উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের বিষয়টি জানানো হয়েছে। প্রত্যেক ব্যাটালিয়ন সদর দফতরে সর্বোচ্চ সংখ্যক অফিসার ও জওয়ান মোতায়েন রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অপ্রয়োজনীয় ও রুটিন ডিউটি থেকে বাহিনীকে সরিয়ে প্রস্তুত রাখা হবে। শুক্রবার সন্ধ্যা থেকেই যে কোনও পরিস্থিতি সামাল দিতে চরম সতর্ক অবস্থানে থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই নির্দেশকে অত্যন্ত জরুরি হিসেবে বিবেচনা করতে বলা হয়েছে।এদিকে শুক্রবার সন্ধ্যাতেই রাজ্যে পৌঁছে গিয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। আপাতত ২৪০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে। এর মধ্যে বীরভূমে ৭ কোম্পানি, পুরুলিয়ায় ৫ কোম্পানি, কলকাতায় ১২ কোম্পানি, দক্ষিণ দিনাজপুরে ১২ কোম্পানি, দক্ষিণ ২৪ পরগনার সুন্দরবনে ৪ কোম্পানি এবং পূর্ব মেদিনীপুরে ১৪ কোম্পানি বাহিনী থাকবে। অধিকাংশ জেলাতেই ১০-এর কম কোম্পানি বাহিনী রাখা হচ্ছে।প্রশাসনিক সূত্রে খবর, এই ২৪০ কোম্পানির পর আরও ৪০ কোম্পানি বাহিনী আসবে রাজ্যে। পরবর্তী ধাপে আরও ২০০ কোম্পানি বাহিনী মোতায়েনের পরিকল্পনা রয়েছে। ফলে দোল ও হোলি উৎসবের আগে এবং ভোটার তালিকা প্রকাশের প্রেক্ষিতে রাজ্যজুড়ে কড়া নিরাপত্তা বলয় গড়ে তোলা হচ্ছে বলে মনে করা হচ্ছে।

ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের আগেই কড়া নিরাপত্তা, বাংলায় ঢুকছে বিশাল কেন্দ্রীয় বাহিনী

ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণার আগেই রাজ্যে নির্বাচনের প্রস্তুতি জোরদার হচ্ছে। কেন্দ্রের নির্দেশে আগামী পয়লা মার্চ থেকেই বাংলায় কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন শুরু হবে। মোট চারশো আশি কোম্পানি আধাসেনা দুই দফায় রাজ্যে আসবে বলে জানানো হয়েছে। প্রথম দফায় পয়লা মার্চ দুশো চল্লিশ কোম্পানি বাহিনী মোতায়েন করা হবে এবং দ্বিতীয় দফায় দশ মার্চ বাকি বাহিনী পৌঁছবে।এই বিষয়ে কেন্দ্রের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক রাজ্যের মুখ্যসচিব, স্বরাষ্ট্রসচিব ও পুলিশের ডিজিপির কাছে চিঠি পাঠিয়েছে। সেখানে উল্লেখ করা হয়েছে, ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রাথমিক ভাবে চারশো আশি কোম্পানি বাহিনী মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রথম দফায় যে বাহিনী আসছে তার মধ্যে একশো দশ কোম্পানি সিআরপিএফ, পঞ্চান্ন কোম্পানি সীমান্তরক্ষী বাহিনী, একুশ কোম্পানি শিল্প নিরাপত্তা বাহিনী, সাতাশ কোম্পানি ভারত তিব্বত সীমান্ত পুলিশ এবং সাতাশ কোম্পানি সশস্ত্র সীমা বল থাকবে।দ্বিতীয় দফায় দশ মার্চ আরও দুশো চল্লিশ কোম্পানি বাহিনী রাজ্যে পৌঁছবে। সেই দফায় একশো কুড়ি কোম্পানি সিআরপিএফ, পঁয়ষট্টি কোম্পানি সীমান্তরক্ষী বাহিনী, ষোলো কোম্পানি শিল্প নিরাপত্তা বাহিনী, কুড়ি কোম্পানি ভারত তিব্বত সীমান্ত পুলিশ এবং উনিশ কোম্পানি সশস্ত্র সীমা বল মোতায়েন করা হবে। এই বাহিনীর কাজ হবে স্পর্শকাতর এলাকায় টহল দেওয়া, ভোটারদের নিরাপত্তা ও আস্থা বাড়ানো এবং ভোটযন্ত্র পাহারা দেওয়া।জানা গিয়েছে, মোট নয়টি সেকশনের মধ্যে আটটি সেকশন বুথের নিরাপত্তা ও টহলদারির কাজে ব্যবহার করা হবে। একটি সেকশন দ্রুত প্রতিক্রিয়া বাহিনী হিসাবে প্রস্তুত থাকবে, যাতে কোথাও বড় অশান্তি হলে সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নেওয়া যায়। বাহিনী মোতায়েনের সম্পূর্ণ পরিকল্পনা কেন্দ্রীয় বাহিনীর সমন্বয়কারী হিসেবে দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিক সঞ্জয় যাদবকে জানাতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি এত বিপুল বাহিনীর থাকা, যাতায়াত ও অন্যান্য ব্যবস্থার দায়িত্ব রাজ্য প্রশাসনকেই নিতে হবে বলে চিঠিতে উল্লেখ রয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২৬
রাজ্য

বেলডাঙার আগুন পৌঁছল হাইকোর্টে! কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত আসছে

মুর্শিদাবাদের বেলডাঙায় অশান্তির ঘটনায় এবার বিষয়টি গড়াল কলকাতা হাইকোর্টে। বেলডাঙার অশান্তিপ্রবণ এলাকায় কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের দাবিতে জনস্বার্থ মামলা দায়েরের আবেদন জানানো হয়েছে। সেই আবেদন গ্রহণ করে মামলা দায়েরের অনুমতি দিয়েছেন প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল। আজই যদি মামলা দায়ের করা হয়, তবে মঙ্গলবার এই মামলার শুনানি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।এর আগেই বেলডাঙার পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের দাবি জানিয়ে রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসকে চিঠি পাঠিয়েছিলেন রাজ্য বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। সেই আবেদনের রেশ কাটতে না কাটতেই বিষয়টি এবার আদালতের বিচারাধীন হল।গত শুক্রবার থেকে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে মুর্শিদাবাদ জেলা। সূত্রপাত হয় ঝাড়খণ্ডে এক পরিযায়ী শ্রমিকের মৃত্যুকে ঘিরে। অভিযোগ, ওই শ্রমিককে খুন করে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছিল। শুক্রবার সকালে মৃতদেহ জেলায় ফিরতেই বেলডাঙায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। বিক্ষুব্ধ জনতা রাস্তায় টায়ার জ্বালিয়ে অবরোধ শুরু করে। অবরোধ করা হয় রেললাইনও।শিয়ালদহ-লালগোলা শাখার মহেশপুর সংলগ্ন এলাকায় রেললাইনের উপর বাঁশ ফেলে বিক্ষোভ দেখানো হয়। সেই বাঁশে ঝোলানো ছিল মৃত শ্রমিকের ঝুলন্ত অবস্থার ছবি। পরিস্থিতি সামাল দিতে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছলে স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে পুলিশের বচসা শুরু হয়। সেই বচসা দ্রুতই উত্তেজনায় রূপ নেয়।ঘটনাস্থলে খবর সংগ্রহ করতে গিয়ে আক্রান্ত হন গণমাধ্যমকর্মীরাও। সাংবাদিকদের উপর হামলার অভিযোগ ওঠে। এই পরিস্থিতিতে এলাকায় না যাওয়ায় সাংসদ ইউসুফ পাঠানের ভূমিকা নিয়েও একাধিক প্রশ্ন ওঠে। ঘটনার তিন দিন পর তিনি এলাকায় গিয়ে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন।এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত মোট ৩০ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ধৃতদের মধ্যে একজন মিম দলের নেতা বলেও জানা গেছে। হায়দরাবাদ ভিত্তিক সংখ্যালঘুদের এই রাজনৈতিক দলের নাম উঠে আসায় রাজনৈতিক চাপানউতোর আরও বেড়েছে।এই অশান্ত পরিস্থিতিতে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের দাবি নতুন নয়। আগেই শুভেন্দু অধিকারী সেই দাবি জানিয়েছিলেন। এবার সেই দাবি নিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হওয়া হল। শেষ পর্যন্ত বেলডাঙায় কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন হবে কি না, সেই সিদ্ধান্ত এখন আদালতের হাতেই।

জানুয়ারি ১৯, ২০২৬
রাজনীতি

বাংলার ৩২ জন বিজেপি নেতার নিরাপত্তা রক্ষী প্রত্যাহার কেন্দ্রের, দেখুন তালিকা

সামনে ২০২৬ বিধানসভা নির্বাচন। তার আগে বাংলার ৩২ জন বিজেপি নেতার নিরাপত্তা রক্ষী প্রত্যাহার করল কেন্দ্রীয় সরকার। এই তালিকায় রয়েছেন প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জন বার্লা, শঙ্কু দেব পন্ডা। সম্প্র্তি জন বার্লাকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মঞ্চে দেখা গিয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে তিনি কাজ করতে আগ্রহী বলেও জানিয়েছিলেন। জন বার্লা তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিচ্ছেন বলেও জোর জল্পনা চলছে। তারই মধ্যে তাঁর নিরাপত্তা রক্ষী তুলে নিল কেন্দ্রীয় সরকার। ২০২৪ লোকসভা নির্বাচনের আগে এঁদের নিরাপত্তী রক্ষী দেওয়া হয়েছিল।রাজ্যের যে ৩৪জন বিজেপি নেতার রক্ষী তুলে নেওয়া হল তাঁদের তালিকা -১) তপশিলি জাতি-উপজাতির জাতীয় কমিশনের সহ-সভাপতি অরুণ হালদার২) কোচবিহারে বিজেপির রাজ্য কোর কমিটির সদস্য অভিজিৎ বর্মন৩) দক্ষিণ ২৪ পরগনার প্রাক্তন জেলা সভাপতি অভিজিৎ দাস৪) বিজেপির রাজ্য নেতা অজয় রায়৫) নদিয়ার জেলা সভাপতি অর্জুন বিশ্বাস6) উলুবেড়িয়ার সাংসদ পদপ্রার্থী অরুণোদয় পাল চৌধুরী৭) আরামবাগের সাংসদ পদপ্রার্থী অরূপকান্তি দিগর৮) দক্ষিণ 24 পরগনার জয়নগর ও মাজিলপুর পুরসভার 2 নম্বর ওয়ার্ডের বিজেপি নেতা অশোক কাণ্ডারি৯) জগদীশপুরের বিজেপি নেতা অশোক পুরকায়স্থ১০) দক্ষিণ ২৪ পরগনার বিজেপি নেতা মন্দির ব্রজ১১) উত্তর দিনাজপুরের বিজেপি নেতা বাসুদেব সরকার১২) বিজেপির প্রাক্তন সাংসদ দশরথ তিরকে১৩) বিজেপির রাজ্য যুগ্ম আহ্বায়ক দেবব্রত বিশ্বাস১৪) ডায়মন্ড হারবারের বিজেপি নেতা দেবাংশু পাণ্ডা১৫) রাজ্য বিজেপি নেতা দেবাশিস ধর১৬) বিজেপির মুর্শিদাবাদ জেলা সভাপতি ধনঞ্জয় ঘোষ১৭) দক্ষিণ 24 পরগনার বিজেপি নেতা দীপক হালদার১৮) বিজেপির রাজ্য নেতা জয়দীপ ঘোষ১৯) বিজেপির রাজ্য নেতা জীবেশচন্দ্র বিশ্বাস২০) আলিপুরদুয়ারের প্রাক্তন সাংসদ জন বার্লা২১) বিজেপি নেতা লোকনাথ চট্টোপাধ্যায়২২) মুর্শিদাবাদের বিজেপি নেতা নির্মল সাহা২৩) মুর্শিদাবাদের বিজেপি নেতা নিভাস২৪) রাজ্যের বিজেপি নেতা নিত্যানন্দ চট্টোপাধ্যায়2৫) বিজেপির রাজ্যের আহ্বায়ক পলাশ রানা২৬) বোলপুরের বিজেপি সাংসদ পদপ্রার্থী পিয়া সাহা২৭) ঝাড়গ্রামের বিজেপি নেতা প্রণত টুডু২৮) বিজেপি নেত্রী প্রণতি মাঝি২৯) বিজেপির বোলপুর সাংগঠনিক জেলা সভাপতি সন্ন্যাসী চরণ মণ্ডল৩০) বিজেপির রাজ্য নেতা শঙ্কুদেব পাণ্ডা৩১) ঘাটালের বিজেপি নেতা তন্ময় দাস৩১) কোচবিহার জেলার সাধারণ সম্পাদক তাপস দাস

ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২৫
রাজ্য

গ্রাম বাংলার দখল কার হাতে? সকাল ৮টা থেকে শুরু পঞ্চায়েতের ভোট গণনা

নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তায় মুড়ে ফেলা হয়েছে গননা কেন্দ্রগুলিকে। প্রতি গণনা কেন্দ্রের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকবে ১ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী তাঁর সাথেথাকছে রাজ্য পুলিশও। ভোট গণনা চলবে ত্রিস্তরীয় নিরাপত্তা বলয়ে। অপেক্ষার অবসান হতে যাচ্ছে আর কিছুক্ষণ পরেই, গ্রাম বাংলার রাশ কার দখলে যাবে? গননা কেন্দ্র গুলিতে এসে পরেছেন ভোট কর্মীরা, প্রয়োজনীয় ঔষধ ছাড়া আর কিছু নিয়েই ভিতরে প্রবেশ নিশিদ্ধ। সকাল ৮টা থেকেই শুরু হবে ২০২৩ পঞ্চায়েতের ভোট গণনা। সারা রাজ্যের মোট ৩৩৯টি কেন্দ্রে হবে ভোট গণনা।রাজ্য নির্বাচন কমিশনের সুত্রে জানা যাচ্ছে, তিনটি স্তর (গ্রাম পঞ্চায়েত, পঞ্চায়েত সমিতি ও জেলা পরিষদ) মিলিয়ে প্রায় ১২% আসনে (মোট ৭৩৮৮৭ টি আসনের মধ্যে ৯০০৯ টি আসনে) বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয় হয়েছে। গ্রাম পঞ্চায়েতের ৬৩২২৯টি আসনের মধ্যে বিনা যুদ্ধে জয় ৮০০২ টি আসনে। পঞ্চায়েত সমিতির মোট ৯৭৩০ টি আসনের মধ্যে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয় ৯৯১ টি আসনে। জেলা পরিষদের মোট ৯২৮টি আসনের মধ্যে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয় ১৬টি আসনে।এখানে উল্লেখ্য, ২০১৮ মতো ২০২৩ এও পঞ্চায়েত ভোটেও দেখা গেছে ভয়াবহ হিংসার ছবি। ভোট ঘোষণা র দিন থেকে মৃত্যুর সংখ্যা ধরলে ২০১৮-কেও ছাপিয়ে গেল ২০২৩। বিরধীদের রোষনলের মুখে নির্বাচন কমিশন ও রাজ্য সরকার। যে শান্তিপূর্ণ পঞ্চায়েত ভোটের আশ্বাস অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর নবজোয়ার কর্মসুচীতে দিয়েছিলেন সেটা কি তাহলে শুধুই কথার কথা ছিল? এনিয়ে পাল্টা জবাব পালটা জবাব চলছে। আজ মঙ্গলবার ফলাফল।পঞ্চায়েত ভোটের ঠিক বিপরীত ছবি দেখা গেলো পুননির্বাচনে,লাগামছাড়া সন্ত্রাসের ছবি উধাও! পুলিস ও কেন্দ্রীয়বাহিনী দাপিয়ে বেরালো বুথ ও সংলগ্ন এলাকা, রূটিন রুট মার্চ, এরিয়া ডোমিনেসন সবই করতে দেখা গেলো। সেখানেই প্রশ্ন বিরোধীদের, তাহলে কি এটা ড্যমেজ কন্ট্রোল? ৮ই জুলাই কোথায় ছিলো পুলিশের এই সক্রিয়তা? বিরোধীদের আরও দাবী হাইকোর্টের নির্দেশ স্বত্তেও কেনো সমস্ত বুথে দেখা যায়নি সশস্ত্র বাহিনী কে? তাহলে কি এটা দিদি-মোদি পরিকল্পনারই ফসল?বিরোধীদের দাবী, ভোটের দিন যেভাবে সারা রাজ্যে বুথে বুথে অশান্তি হয়েছে, বন্দুক হাতে দাপাদাপি করতে দেখা গিয়েছে রাজনৈতিক কর্মীদের, মুড়ি মুড়কির মতো বোমা পড়েছে, দেদার ছাপ্পা, কিন্তু কোথাও কোনও কেন্দ্রীয় বাহিনী কে দেখা যায়নি। পূর্ববর্ধমান জেলার মেমারি-র বাম নেতা অভিজিৎ কোনার (খোকন) তাঁর সামাজিক মাধ্যমে ছবি দিয়ে দাবী করেছেন, আজ ৮/৭/২০২৩ পশ্চিমবঙ্গে অবাধে লুটপাটের পঞ্চায়েত নির্বাচন চলছে।হাইকোর্টের নির্দেশ স্বত্বেও মেমারি ১ ব্লক,মেমারি ২ ব্লক সহ পূর্ব বর্ধমান জেলার কোন বুথেই কেন্দ্রীয়বাহিনী নেই। আজ সকাল ৭.১৮ মিনিটে মেমারি ষ্টেশনে অসংখ্য পুলিশের জমিয়ে গল্প, হাওয়া খাওয়ার ফটো দেখুন।ভোট হচ্ছে গ্রামে,আর পুলিশ রয়েছে রেল স্টেশনে। এতদিন কেন্দ্রীয়বাহিনী নিয়ে TMC-BJP র নাটক এখন বুঝতে পারছেন? কেন্দ্র ও রাজ্যের বোঝাপড়া বুঝুন। তবে বিভিন্ন বুথে প্রতিরোধের ঘটনাও ঘটছে।কোথা ব্যালট বক্স ভোট কক্ষ থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে পুকুরে ফেলে দেওয়া হয়েছে। কোথাও আবার ভোট কক্ষের ভিত্রেই বোতলে জল নিয়ে গিয়ে ঢেলে দেওয়া হয়েছে ব্যলট বক্সের ভিতর। কিন্তু কোথাও পুলিশর দেখা মেলেনি, না মিলেছে হাইকোর্টের নির্দেশে আসা কেন্দ্রীয় বাহিনীও!

জুলাই ১১, ২০২৩
রাজ্য

চাপের ঠেলায় ২২ থেকে ৮২২, তবু কেন্দ্রীয় বাহিনীর সংখ্যা নিয়ে অসন্তুষ্ট বিরোধীরা

পঞ্চায়েত নির্বাচনে একের পর এক নাটকীয় ঘটনা। রাজ্যপাল, হাইকোর্ট, সুপ্রিমকোর্ট, হাইকোর্ট পঞ্চায়েত ভোট নিয়ে পর পর গুঁতো খেয়ে নির্বাচন কমিশন ২২ কোম্পানির পর ৮০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী চেয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকে চিঠি পাঠাল। তবে এই সংখ্যায় সন্তুষ্ট নয় বিরোধীরা। তারা চাইছে অবাধ ও সুষ্ঠুভাবে নির্বাচন সম্পন্ন করুক কমিশন.পঞ্চায়েতে মাত্র ২২ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে গোটা বাংলায় ভোট করার পরিকল্পনা করেছিল রাজ্য নির্বাচন কমিশন। ২২ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনীর জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাছে চিঠি পাঠায় কমিশন। এই কারণে বুধবারই কমিশনকে ভর্ৎসনা করেছিল কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম। পঞ্চায়েত মামলার নির্দেশে প্রধান বিচারপতি বলেছিলেন, দেখে মনে হচ্ছে কমিশন এমন ভাবে আদালতের নির্দেশ বাস্তবায়িত করছে, যাতে কাজের কাজ কিছু না হয়। এরপরই প্রধান বিচারপতি নির্দেশ দেন, ২০১৩ সালের পঞ্চায়েত নির্বাচনে যে পরিমাণ কেন্দ্রীয় বাহিনী ব্যবহার করা হয়েছিল (সেবার এসেছিল ৮২০ কোম্পানি), এবার তার থেকে বেশি বাহিনী নির্বাচনের কাজে মোতায়েন করতে হবে। নির্দেশ কার্যকর করতে ২৪ ঘণ্টার সময়সীমা বেঁধে দিয়েছিল আদালত। যা মানতে বাধ্য হল কমিশন।এছাড়া কমিশনার রাজীব সিনহাকেও ওই দিনই ভর্ৎসনা করেছিলেন প্রধান বিচারপতি টি এস শিবজ্ঞানম। পর্যবেক্ষণে বলেছিলেন, আপনি (কমিশনার রাজীব সিনহা) চাপ নিতে না পারলে ছেড়ে দিন।এরপই বুধবার রাতে কড়া পদক্ষেপ করেন রাজ্যপাল। রাজ্য নির্বাচন কমিশনার পদে রাজীব সিনহা যোগ দেওয়ার পর তাঁর জয়েনিং রিপোর্ট গ্রহণ করেননি সি ভি আনন্দ বোস। এদিও ফের কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অনৃতা সিনহা সমালোচনা করেন রাজ্য নির্বাচন কমিশনারের। বৃহস্পতিবার দুপুরেও নিজের প্রতিক্রিয়ার মাধ্যমে কমিশনারের পাশে থাকারই বার্তা দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। জানান, কমিশনার পদ খেরে রাজীবকে সরাতে হলে ইমপিচমেন্ট পদ্ধতির প্রয়োগ প্রয়োজন। পাল্টা রাজ্যপাল বলেন, কমিশনারের কাজে বাংলার মানুষ হতাশ।

জুন ২২, ২০২৩
রাজ্য

৪৮ ঘণ্টার মধ্যে কেন্দ্রের কাছে বাহিনী চেয়ে আবেদন জানাবে কমিশন, কড়া নির্দেশ হাইকোর্টের

বিরোধীরা প্রথম থেকেই দাবি করে আসছিলেন কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে পঞ্চায়েত ভোট করানোর। বৃহস্পতিবার দুপুরে কড়া সুরে ইঙ্গিত দিয়েছিলেন কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ। আর এদিন বিকেলেই সেই ইঙ্গিতের বাস্তবায়ণ হল। শুধু স্পর্শকাতর জেলা নয়, আসন্ন পঞ্চায়েত ভোটে সব জেলাতেই থাকবে কেন্দ্রীয় বাহিনীর নিরাপত্তা। এর আগে বহিনী সংক্রান্ত নির্দেশ পুনর্বিবেচনার জন্যই আদালতে আর্জি জানিয়েছিল কমিশন। সেই মামলার নির্দেশেই জোর ধাক্কা খেল রাজ্য নির্বাচন কমিশন ও রাজ্য সরকার।প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম কমিশনের উপর ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন। তাঁর কথায়, স্পর্শকাতর এলাকা চিহ্নিতকরণে যে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল তাতে কমিশন পদক্ষেপ করেনি। অবাধ মনোনয়ন প্রক্রিয়া সুনিশ্চিত করতেও কমিশনের ভূমিকা দৃঢ় নয়। এরপরই পঞ্চায়েত ভোটে সব জেলায় কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের নির্দেশ দেওয়া হয়।কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চের নির্দেশ, অবিলম্বে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জন্য কেন্দ্রের কাছে আবেদন জানাতে হবে। আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে কেন্দ্রের কাছে বাহিনী চেয়ে আবেদন জানাবে কমিশন। তৎক্ষণাৎ বাহিনী দিতে হবে কেন্দ্রকে। কেন্দ্রীয় বাহিনীর খরচ বহন করবে কেন্দ্র।এদিনের হাইকোর্টের বাহিনী নির্দেশকে স্বাগত জানিয়েছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। অন্যদিকে তৃণমূল মুখপাত্র কুণাল ঘোষ বলেন, তৃণমূল কেন্দ্রীয় বাহিনীকে ভয় পায় না। বাহিনীর সুরক্ষা সত্ত্বেও ভোটে তৃণমূলই জিতবে। কিন্তু নীতিগত প্রশ্নে এই নির্দেশের যৌক্তিকতা খতিয়ে দেখার প্রয়োজন আছে। অন্য রাজ্যে তো স্থানীয় প্রশাসনের নির্বাচন সেই রাজ্যের পুলিশ দিয়েই হয়। তাহলে বাংলার ক্ষেত্রে আলদা নিয়ম কেন? বিরোধী দলগুলো পরিকল্পিতভাবে অশান্তি পাকিয়ে আদালতকে প্রভাবিত করার চেষ্টা করেছে বলেও এদিন দাবি করেছেন কুণাল।পঞ্চায়েত ভোট রাজ্যজুড়ে কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে করানোর দাবি নিয়ে আদালতে মামলা করেছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী ও রাজ্য কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী। সেই মামলায় কমিশনকে স্পর্শকাতর জায়গায় কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে ভোট করানোর নির্দেশ দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ। বাহিনী সংক্রান্ত সেই নির্দেশ পুনর্বিবেচনার জন্য ফের আদালতে আর্জি জানায় রাজ্য নির্বাচন কমিশন। এর মধ্যেই মনোনয়ন ঘিরে হিংসায় জর্জরিত হয় বাংলা। পুলিশ কার্যত নীরব দর্শক ছিল। এসবের মধ্যেও স্পর্শকাতর এলাকা চিহ্নিত করতে পারেনি কমিশন। আর কমিশনের এই ভূমিকাতেই ক্ষুব্ধ ছিলেন প্রধান বিচারপতি। বৃহস্পতিবারের শুনানিতে কমিশনের আইনজীবীকে প্রধান বিচারপতির প্রশ্ন ছিল, এবার কী তাহলে গোটা রাজ্যেই কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে ভোটের নির্দেশ দিয়ে দেব? এর মধ্যেই মনোনয়নে হিংসায় নিহত হয়েছেন চার জন। শেষ পর্যন্ত উভয়পক্ষের সওয়াল শুনে রাজ্যজুড়ে কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে পঞ্চায়েত ভোট করানোর নির্দেশ দেয় আদালত।

জুন ১৫, ২০২৩
রাজ্য

রামনবমীর শোভাযাত্রার পর হনুমান জয়ন্তী, তিন কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী রাজ্যে

রামনবমীর শোভাযাত্রাকে কেন্দ্র করে অশান্তির জেরে এখনও থমথমে হুগলির রিষড়া। রামনবমীর মিছিলকে কেন্দ্র করে অশান্তি হয়েছে, উত্তর দিনাজপুরের ডালখোলা, হাওড়ার শিবপুর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনার বিষ্ণুপুরে। এদিকে আগামী কাল, বৃহস্পতিবার হনুমান জয়ন্তী পালন করতে চলেছে বিশ্ব হিন্দু পরিষদ। কলকাতা হাইকোর্ট এদিন রাজ্যকে নির্দেশ দিয়েছে হনুমান জয়ন্তীতে কেন্দ্রীয় বাহিনী মতোয়েন করতে।কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশ মেনে হনুমান জয়ন্তীতে বাংলায় তিন কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে নবান্ন। জানা গিয়েছে, হাওড়া, হুগলি ও কলকাতায় উপদ্রুত এলাকায় এই তিন কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন থাকবে। বুধবার নাবান্নে মুখ্যসচিবের নেতৃত্বে উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে রাজ্যে তিন কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের সিদ্ধান্ত হয়। পাশাপাশি অশান্তি রুখতে বেশ কয়েকটি নির্দেশ জারির পথে রাজ্য প্রশাসন। বৃহস্পতিবারের কোনও শোভাযাত্রায় ১০০ জনের বেশি লোক থাকতে পারবে না। স্পর্শকাতর এলাকায় থাকবে ১৪৪ ধারা।এদিন, হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম স্পষ্ট জানিয়েছেন, মানুষের নিরাপত্তা ও আস্থার থেকে বড় কিছু হতে পারে না। এই দুটি বিষয়কে সুনিশ্চিত করাকে অগ্রাধিকার দিতে হবে রাজ্য সরকারকে। হনুমান জয়ন্তী উপলক্ষে কোথাও হিংসার সম্ভাবনা থাকলে রাজ্য সরকারকে আগে থেকে প্রস্তুতি নিতে হবে। প্রয়োজনে সেখানে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করতে হবে। রাজ্য সরকার কেন্দ্রীয় বাহিনী চাইলে সঙ্গে সঙ্গে সাহায্য করতে হবে কেন্দ্রকে। আদালত আরও বলেছে, মানুষের মনে আস্থা ফেরাতে হিংসা কবলিত এলাকায় পুলিশ ও আধাসেনার রুট মার্চ অত্যন্ত দরকারি।

এপ্রিল ০৫, ২০২৩
কলকাতা

পুরভোটে কেন্দ্রীয় বাহিনী নয়, বিজেপির আবেদন খারিজ সুপ্রিম কোর্টেও

আগামী ২৭ ফেব্রুয়ারি পুরভোট রাজ্যের ১০৮ টি পুরসভায়। এই নির্বাচনে কেন্দ্রীয় বাহিনী দেওয়ার আর্জি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল রাজ্য বিজেপি। আগেই হাইকোর্টে সেই আর্জি খারিজ হয়ে গিয়েছে। নির্বাচনের নিরাপত্তার জন্য রাজ্য নির্বাচন কমিশনের ওপরেই ভরসা করতে বলেছে হাইকোর্ট। আর এবার সেই একই নির্দেশ শীর্ষ আদালতের। রাজ্যের ভোটে কেন্দ্রীয় বাহিনী দেওয়া হবে না বলে জানিয়ে দিল সুপ্রিম কোর্ট।বিজেপির পক্ষ থেকে সুপ্রিম কোর্টে আবেদনে বলা হয়েছে, ১০৮ পুরসভার নির্বাচনে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করতে হবে। কলকাতা হাইকোর্টের সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেই সর্বোচ্চ আদালতে আবেদন জানায় বিজেপি। বিভিন্ন জেলা থেকে বিরোধীরা হামলার অভিযোগ তুলেছেন। অন্য একটি মামলায় বিজেপি প্রার্থীরা নিরাপত্তার অভাবের কথাও জানিয়েছেন আদালতে। এই সব অভিযোগ নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছিল বিজেপি।এর আগে কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চের নির্দেশে বলা হয়েছে, যদি কেন্দ্রীয় বাহিনী না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় রাজ্য নির্বাচন কমিশন, তাহলে কেন দেওয়া হল না, সেই কারণ আদালতে জানাতে হবে কমিশনারকে। আর তারপর যদি ভোটের দিন কোনও অশান্তির অভিযোগ ওঠে, তাহলে তার দায় নিতে হবে কমিশনারকেই।কমিশন সূত্রের খবর, ১০৮ পুরসভার ভোটের দায়িত্বে থাকবে রাজ্য পুলিশই। মোতায়েন করা হবে ৪৪ হাজার পুলিশ। প্রতি বুথে থাকবে সশস্ত্র নিরাপত্তারক্ষী। প্রাথমিকভাবে স্থির হয়েছে, প্রতিটি বুথে সশস্ত্র নিরাপত্তারক্ষী থাকবে। এছাড়াও স্পেশ্যাল টাস্ক ফোর্স, ইএফআর জওয়ান, র্যা ফের তত্ত্বাবধানে থাকবে বাইরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা।

ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২২
কলকাতা

High Court: খারিজ বিজেপির আবেদন, কেন্দ্রীয় বাহিনী নয় কলকাতা পুরভোটে

আসন্ন কলকাতা পুরভোটে বিজেপির করা কেন্দ্রীয় বাহিনীর আবেদন খারিজ করল কলকাতা হাইকোর্ট। কেন্দ্রীয় বাহিনীর চেয়ে বিজেপির করা আবেদন খারিজ করল প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ। আগেই এই আবেদন খারিজ করেছে হাইকোর্টের সিঙ্গেল বেঞ্জ। সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করেই ডিভিশন বেঞ্চে গিয়েছিল বিজেপি।আদালতের তরফে জানান হয়েছে, এখনই কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের মতো পরিস্থিতি নেই। কমিশন দায়িত্বশীল হয়ে নির্বাচন পরিচালনা করবে। রাজ্য প্রশাসন যথাযথ ভাবে কমিশনকে সাহায্য করবে। যদি কোনও ঘটনা ঘটে তাহলে যাঁরা দায়িত্বে থাকবেন, তাঁদের উপরই দায়ভার বর্তাবে। এছাড়া নির্বাচনের পর কমিশনকে বিস্তারিত রিপোর্ট আদালতে পেশ করতে হবে। ২৩ ডিসেম্বর হবে পরবর্তী শুনানি।উল্লেখ্য কলকাতায় পুরভোটে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের দাবি তোলে বিজেপি। বৃহস্পতিবার সেই আবেদন খারিজ করে দেয় কলকাতা হাইকোর্টের সিঙ্গল বেঞ্চ। রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেল এবং নির্বাচন কমিশন যে বক্তব্য কোর্টে পেশ করেছে, তাতে আদালত মনে হয় কেন্দ্রীয় বাহিনীর প্রয়োজন নেই। হাইকোর্টের সিঙ্গল বেঞ্চের রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে ডিভিশন বেঞ্চে মামলা দায়ের করে বিজেপি । এদিন মামলার পূর্ণাঙ্গ শুনানি হয় প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ।শুনানিতে কমিশনের কাছে জানতে চাওয়া হয়, সাম্প্রতিক অশান্তি প্রেক্ষিতে ভোটারদের মনোবল বাড়াতে কী পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে? এলাকায় কি রুটমার্চ হচ্ছে? যেখানে ভোটগ্রহণ কেন্দ্রের সংখ্যা বেশি, সেখানে পুলিশ কম কেন? সূত্রের খবর, কোনও প্রশ্নেরই যথাযথ উত্তর মেলেনি। এরপর আসরে নামে রাজ্য সরকার। অ্যাডভোকেট জেনারেলের সওয়াল, অধিকাংশ ক্ষেত্রে অস্বস্তিকর পরিস্থিতি তৈরি জন্য মিথ্যা মামলা করা হয়। বিক্ষিপ্ত কিছু ঘটনা ঘটেছে মানে এই নয় যে, রাজ্য পুলিশকে দিয়ে ভোট করানো যাবে না। কেন্দ্রীয় বাহিনীই লাগবে।

ডিসেম্বর ১৭, ২০২১
কলকাতা

BJP: পুরভোটে কেন্দ্রীয় বাহিনীর দাবিতে সুপ্রিম কোর্টে যাওয়ার হুঁশিয়ারি রাজ্য বিজেপির

রাজ্যে ভয়মুক্ত নির্বাচন করানোর জন্য কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে ভোট করানোর আর্জি করেন শুভেন্দু অধিকারী । বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে বিজেপির এক প্রতিনিধি দল আজ রাজ্য নির্বাচন কমিশনারকে চিঠি দিয়ে এই দাবি জানিয়েছেন। চিঠিতে তারা বাকি পুরসভাগুলির নির্বাচন শেষ না হওয়া পর্যন্ত কলকাতা পুরসভা নির্বাচনের ভোট গণনা স্থগিত রাখার দাবি জানিয়েছেন। পাশাপাশি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের বিষয়ে কমিশন কি পদক্ষেপ নিচ্ছে, তা জানানোর দাবি জানিয়েছেন। বিরোধী দলনেতা অভিযোগ করেন, বিধানসভা ভোটের পরবর্তী সময় থেকে প্রার্থী,নির্বাচনী,এজেন্ট-সহ বিরোধী কর্মীদের ভয় দেখানো হচ্ছে। তাই অবিলম্বে অবাধ ও শান্তিপূর্ণ ভোট করতে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন প্রয়োজন। কেন্দ্রীয় বাহিনী ছাড়া কোন অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটলে তার জন্য নির্বাচন কমিশন দায়ী থাকবেন বলে বিরোধী দলনেতা স্পষ্ট জানিয়েছেন। এছাড়া ভোটদাতাদের যেকোনো ধরনের সংশয় দুর করতে ইভিএমের সঙ্গে ভিভিপ্যাট যন্ত্র রাখার দাবি জানিয়েছেন তারা। এর আগেও একাধিকবার এই আবেদন করা হয়েছে বিজেপি শিবিরের তরফে। কিন্তু এখনও পর্যন্ত যা পরিস্থিতি, তাতে কেন্দ্রীয় বাহিনী আনার কোনও পরিকল্পনা নেই রাজ্য নির্বাচন কমিশনের। এই পরিস্থিতিতে কেন্দ্রীয় বাহিনীর দাবিতে এবার সুপ্রিম কোর্টে যাওয়ার পরিকল্পনা করছে রাজ্য বিজেপি।আজ শুভেন্দু অধিকারী কমিশন থেকে বেরিয়ে জানিয়েছেন, ভিভিপ্যাট যুক্ত ইভিএম ব্যবহার করতে হবে। সুপ্রিম কোর্টের রায় আছে এই বিষয়ে। কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিষয়েও বলেছি। কমিশন রাজ্য ও কলকাতা পুলিশের উপর আস্থা রাখছে। তিনি পুলিশের উপর খুশি। এই আস্থা থাকলে জাতীয় নির্বাচন কমিশন কেন বাহিনী আনবে? রাজ্যের পরিস্থিতি আলাদা, সেটা বুঝেই এখানে বিধানসভা ভোটে কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়েছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। তাঁর আরও বক্তব্য, প্রার্থীদের নিরাপত্তা দিতে হবে। প্রচারে প্রার্থীরা যাতে নিরাপত্তা পান, তা দেখবে কমিশন। কলকাতা পুলিশ ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের বিরুদ্ধে জানানো হয়েছে। আমরা ওনার সঙ্গে কথা বলে সন্তুষ্ট নই।

ডিসেম্বর ০৭, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ›

ট্রেন্ডিং

স্বাস্থ্য

বর্ধমানে বি আই এম এল এস ফিজিওথেরাপি কলেজে বিশ্ব ফিজিওথেরাপি দিবস পালন

২৫ বছর পূর্তিতে দিনভর নানা কর্মসূচি, ফ্রি কনসালটেশন ক্যাম্প ও বৈজ্ঞানিক সেমিনার; কার্ডিওভাসকুলার ডিজিজ ও স্ট্রোক নিয়ে বিশেষ আলোচনার মাধ্যমে বিশ্ব ফিজিওথেরাপি দিবস পালন।ফিজিওথেরাপির প্রয়োজনীয়তা ও উপকারিতা সম্পর্কে সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা গড়ে তুলতে বর্ধমান শহরের বি আই এম এল এস ফিজিওথেরাপি কলেজে পালিত হল বিশ্ব ফিজিওথেরাপি দিবস। মঙ্গলবার কলেজ প্রাঙ্গণে দিনভর নানা কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। ছিল বিশেষজ্ঞদের আলোচনা, বৈজ্ঞানিক সেশন, লাইভ ডেমোনস্ট্রেশন এবং রোগীদের জন্য বিনামূল্যে কনসালটেশন ক্যাম্প।অনুষ্ঠানের শুভ উদ্বোধন করেন বর্ধমান শহরের বিশিষ্ট অর্থোপেডিক সার্জেন ড. শাশ্বত দত্ত। উপস্থিত ছিলেন বর্ধমান মেডিকেল কলেজের উইংস অনাময় হাসপাতালের নিউরো মেডিসিন বিভাগের সিনিয়র রেসিডেন্ট ড. শিলাদিত্য দাস। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বি আই এম এল এস কলেজের এথিকাল কমিটির চেয়ারম্যান ও বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট বিভাগের অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর ড. অভিষেক মিশ্র এবং বেঙ্গল ফেত হাসপাতালের বিশিষ্ট ফিজিওথেরাপিস্ট ড. অরোদীপ দাশগুপ্ত -সহ অন্যান্যরা।অনুষ্ঠানে বক্তারা দৈনন্দিন জীবনে ফিজিওথেরাপির প্রয়োজনীয়তা নিয়ে আলোচনা করেন। বিশেষজ্ঞদের বক্তব্যে উঠে আসে, ফিজিওথেরাপি শুধু চোট বা অস্ত্রোপচারের পর পুনর্বাসনের জন্য নয়; দীর্ঘস্থায়ী ব্যথা, অস্থিসন্ধির সমস্যা, পেশির দুর্বলতা, স্নায়বিক সমস্যা, চলাফেরার অসুবিধা এবং বিভিন্ন ধরনের শারীরিক প্রতিবন্ধকতার ক্ষেত্রেও এর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।এছাড়াও এদিন উপস্থিত ছিলেন বি আই এম এল এস ফিজিওথেরাপি কলেজের প্রিন্সিপ্যাল ড. এম এস আনোয়ার, সহকারি অধ্যাপক ড. সত্যেন ভট্টাচার্য্য, সহকারি অধ্যাপক ড. অমর্ত্য মল্লিক, সহকারি অধ্যাপক ড.তনিমা ভট্টাচার্য্য, সহকারি অধ্যাপক ড. প্রিয়াঙ্কা দাস ও সহকারি অধ্যাপক ড. রজনী মিশ্র দাসগুপ্ত।২৫ বছর পূর্তিতে রোগী পরিষেবায় বিশেষ উদ্যোগবি আই এম এল এস ফিজিওথেরাপি কলেজের অধ্যক্ষ ড. এম এস আনোয়ার জানান, বি আই এম এল এস ফিজিওথেরাপি কলেজের ২৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে বিভিন্ন ধরনের ওপিডি পরিষেবার মাধ্যমে রোগীদের চিকিৎসা ও ফিজিওথেরাপি পরিষেবা দেওয়ার ব্যবস্থা হয়েছে। এছাড়াও বিশ্ব ফিজিওথেরাপি দিবস উপলক্ষে ওপিডিতে আয়োজন করা হয় ফ্রি কনসালটেশন ক্যাম্প। তিনি জানান দিনভর এই ক্যাম্পে বিভিন্ন শারীরিক সমস্যা নিয়ে আসা রোগীদের বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ দেওয়া হয়। এর পাশাপাশি আয়োজিত হয় বিশেষ বৈজ্ঞানিক সেমিনার।কার্ডিওভাসকুলার ডিজিজ ও স্ট্রোক নিয়ে বিশেষ সেশনবি আই এম এল এস ফিজিওথেরাপি কলেজের বিশিষ্ট ফিজিওথেরাপি ডাক্তার ড. সত্যেন ভট্টাচার্য্য জানান, এবারে বিশ্ব ফিজিওথেরাপি দিবসে বিশেষ থিম ছিল কার্ডিওভাসকুলার ডিজিজ ও স্ট্রোক। এদিনের বৈজ্ঞানিক সেশনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ছিল কার্ডিওভাসকুলার ডিজিজ এবং স্ট্রোক। স্ট্রোকের পর রোগীর স্বাভাবিক চলাফেরা, পেশিশক্তি, ভারসাম্য এবং দৈনন্দিন কাজ করার সক্ষমতা ফিরিয়ে আনতে ফিজিওথেরাপির ভূমিকা নিয়ে আলোচনা করা হয়। তিনি জানান, সেমিনারের পাশাপাশি বিভিন্ন থেরাপিউটিক পদ্ধতি নিয়ে লাইভ ডেমোনস্ট্রেশনও দেখানো হয়।রোগীদের সাফল্যের গল্পে উঠে এল ফিজিওথেরাপির গুরুত্বসহকারি অধ্যাপক ড. অমর্ত্য মল্লিক জনতার কথাকে জানান, আজকের বিশ্ব ফিজিওথেরাপি দিবসের অনুষ্ঠানের অন্যতম তাৎপর্যপূর্ণ অংশ ছিল ফিজিওথেরাপির মাধ্যমে উপকৃত হওয়া রোগীদের অভিজ্ঞতা তুলে ধরা। বিশেষ করে ছোটবেলা থেকে বিভিন্ন ধরনের ডিফর্মিটি বা ডিসঅ্যাবিলিটি নিয়ে বেড়ে ওঠা কয়েকজন রোগী কীভাবে চিকিৎসা ও নিয়মিত ফিজিওথেরাপির মাধ্যমে স্বাভাবিক জীবনযাত্রায় ফিরে এসেছেন, সেই অভিজ্ঞতা তাঁরা তুলে ধরেন।তাঁদের এই অভিজ্ঞতা উপস্থিতদের কাছে শুধু অনুপ্রেরণার নয়, বরং পুনর্বাসনমূলক চিকিৎসায় ফিজিওথেরাপির গুরুত্বের একটি বাস্তব উদাহরণ হিসেবেও উঠে আসে।কলেজের অধ্যক্ষ ড. এম এস আনোয়ার বলেন মানুষ কে জানতে হবে ফিজিওথেরাপি কেন গুরুত্বপূর্ণ?ফিজিওথেরাপির অন্যতম লক্ষ্য হল শরীরের নড়াচড়া ও কার্যক্ষমতা উন্নত করা, ব্যথা নিয়ন্ত্রণ করা এবং রোগীকে যতটা সম্ভব স্বনির্ভর করে তোলা।স্ট্রোক-পরবর্তী পুনর্বাসন, অস্ত্রোপচারের পর দ্রুত স্বাভাবিক জীবনে ফেরা, কোমর-ঘাড়-কাঁধ বা হাঁটুর ব্যথা নিয়ন্ত্রণ, স্পোর্টস ইনজুরি, শিশুদের শারীরিক বিকাশজনিত সমস্যা এবং বয়স্কদের চলাফেরার সক্ষমতা বৃদ্ধির ক্ষেত্রে ফিজিওথেরাপি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।তবে রোগীর শারীরিক অবস্থা ও রোগের ধরন অনুযায়ী ফিজিওথেরাপির পদ্ধতি নির্ধারণ করা প্রয়োজন এবং প্রশিক্ষিত ফিজিওথেরাপিস্টের পরামর্শ অনুযায়ী থেরাপি নেওয়া উচিত।বিশ্ব ফিজিওথেরাপি দিবস উপলক্ষে বি আই এম এল এস ফিজিওথেরাপি কলেজের এই আয়োজনের মধ্য দিয়ে উঠে এল একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তাফিজিওথেরাপি শুধু ব্যথা কমানোর পদ্ধতি নয়, বরং একজন মানুষকে সুস্থ, সচল ও স্বনির্ভর জীবনে ফিরিয়ে আনার গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

সেপ্টেম্বর ০৮, ২০২৬
রাজ্য

নন্দীগ্রাম-রেজিনগরে উপনির্বাচন, নামল বিশাল বাহিনী! দুই কেন্দ্রের জন্য চাওয়া হল ৭১ কোম্পানি

নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরের উপনির্বাচন ঘিরে নিরাপত্তা জোরদার করার প্রস্তুতি শুরু করেছে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর। দুই কেন্দ্রের জন্য মোট ৭১ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী চেয়ে জাতীয় নির্বাচন কমিশনের কাছে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। এর মধ্যে রেজিনগরের জন্য ৩৬ কোম্পানি এবং নন্দীগ্রামের জন্য ৩৫ কোম্পানি বাহিনী চাওয়া হয়েছে।তবে মুর্শিদাবাদের জঙ্গিপুর পুলিশ জেলায় আগে থেকেই যে ৮ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন রয়েছে, সেই বাহিনীকে এই উপনির্বাচনের কাজে ব্যবহার করা যাবে না বলে জানানো হয়েছে। মঙ্গলবার আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক নীলম মীনা। সেখানেই উপনির্বাচনের প্রস্তুতি ও নিরাপত্তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।প্রাথমিক হিসাব অনুযায়ী, নন্দীগ্রামে মোট ২৮৬টি এবং রেজিনগরে ২৮২টি বুথ রয়েছে। ভোটারের সংখ্যা অনুযায়ী এর সঙ্গে আরও কিছু সাহায্যকারী বুথ যুক্ত হতে পারে। তবে অ্যাডজুডিকেশন এবং ট্রাইব্যুনালে থাকা ভোটাররা আসন্ন উপনির্বাচনে ভোট দিতে পারবেন না বলেই সিইও দফতরের তরফে ইঙ্গিত মিলেছে।নির্বাচনের নির্ঘণ্ট প্রকাশের পর থেকেই দুই কেন্দ্রের প্রস্তুতি নিয়ে ব্যস্ততা বেড়েছে সিইও দফতরে। মঙ্গলবার বিকেলে পূর্ব মেদিনীপুর ও মুর্শিদাবাদ জেলার জেলাশাসক এবং জেলা পুলিশ সুপারদের সঙ্গে বৈঠক করেন নীলম মীনা-সহ দফতরের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা।বৈঠকে দুই জেলায় নির্বাচন পরিচালনার সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়। ভোটকেন্দ্রগুলির অবস্থা কেমন, সব বুথে ওয়েব কাস্টিংয়ের ব্যবস্থা করতে কোনও সমস্যা রয়েছে কি না, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি কেমন, কতগুলি এলাকা সংবেদনশীল এবং সেখানে কী ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা প্রয়োজন, তা নিয়েও আলোচনা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরের উপনির্বাচনকে ঘিরে প্রশাসনের এই তৎপরতার মধ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনীর চাহিদাও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে রেজিনগরে ৩৬ কোম্পানি এবং নন্দীগ্রামে ৩৫ কোম্পানি বাহিনী চাওয়ার প্রস্তাব এখন জাতীয় নির্বাচন কমিশনের অনুমোদনের অপেক্ষায়।প্রসঙ্গত, ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রাম এবং ভবানীপুরদুই কেন্দ্র থেকেই জয়ী হয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। নিয়ম অনুযায়ী তাঁকে একটি আসন ছাড়তে হয়। নিজের গড় নন্দীগ্রাম কেন্দ্রটি ছেড়ে দেন তিনি। ফলে ওই আসনটি বিধায়কশূন্য হয়ে পড়ে। এবার উপনির্বাচনের মাধ্যমে নতুন বিধায়ক বেছে নেবেন নন্দীগ্রামের ভোটাররা।অন্যদিকে, মুর্শিদাবাদের রেজিনগর এবং নওদাদুই কেন্দ্রেই জয় পেয়েছিলেন তৃণমূল থেকে বহিষ্কৃত হয়ে আমজনতা উন্নয়ন পার্টির প্রতিষ্ঠাতা হুমায়ুন কবীর। নিয়ম মেনে তিনিও রেজিনগর কেন্দ্রটি ছেড়ে দেন। ফলে ওই কেন্দ্রেও উপনির্বাচনের প্রয়োজন হয়।নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত সূচি অনুযায়ী, আগামী ৬ অক্টোবর নন্দীগ্রাম এবং রেজিনগর বিধানসভা কেন্দ্রে উপনির্বাচন হবে। ৯ অক্টোবর ভোটের ফল প্রকাশ করা হবে। তার আগে কেন্দ্রীয় বাহিনী, বুথের নিরাপত্তা, ওয়েব কাস্টিং এবং সংবেদনশীল এলাকাগুলিতে বিশেষ নজরদারিসব দিকেই প্রস্তুতি জোরদার করছে প্রশাসন।

সেপ্টেম্বর ০৮, ২০২৬
কলকাতা

বলরাম মল্লিকের দোকানে কী মিলল? পুরসভার অভিযানের পর লাইসেন্স সাসপেন্ড, তালিকায় আরও ৩৯ সংস্থা

পুজোর আগে কলকাতার একাধিক নামী খাবারের দোকানের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করেছে কলকাতা পুরসভা। সিমলা বিরিয়ানি, আরসালান থেকে শুরু করে বলরাম মল্লিকের মিষ্টির দোকানমোট ৪০টি রেস্তোরাঁ, হোটেল ও খাবারের সংস্থার লাইসেন্স সাসপেন্ড করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।পুরসভার তরফে দেওয়া তালিকা অনুযায়ী, খাবারের মান এবং স্বাস্থ্যবিধি নিয়ে একাধিক অনিয়ম সামনে এসেছে। কোথাও পচা খাবার বা মেয়াদ উত্তীর্ণ মশলার অভিযোগ রয়েছে, কোথাও আবার খাবারে বিষাক্ত রং ব্যবহারের বিষয়টি উঠে এসেছে। একাধিক মিষ্টির দোকানে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে মিষ্টি তৈরির অভিযোগও পাওয়া গিয়েছে। মিষ্টি তৈরিতে ব্যবহৃত দুধের মান নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।টলিগঞ্জের বি এল সাহা রোডে বলরাম মল্লিকের মিষ্টির দোকানেও একাধিক নিয়ম না মানার অভিযোগ উঠেছে। পুরসভার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, খাবার তৈরি ও পরিবেশনের সঙ্গে যুক্ত কর্মীদের নিয়মিত শারীরিক পরীক্ষা এবং প্রতিষেধক টিকাদানের নথি পাওয়া যায়নি।এ ছাড়াও রেফ্রিজারেটরে রাখা তৈরি বা অর্ধেক তৈরি খাবারে তৈরির তারিখের কোনও ট্যাগ পাওয়া যায়নি বলে পুরসভার তালিকায় উল্লেখ করা হয়েছে। ব্যবহৃত ভোজ্যতেল কী ভাবে ফেলা বা নষ্ট করা হয়, সেই সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় নথিও মেলেনি বলে দাবি পুরসভার।দোকানে ঢাকনাবিহীন আবর্জনার পাত্র থাকার বিষয়টিও উঠে এসেছে। খাবার সংরক্ষণের জন্য তাপমাত্রা সঠিক ভাবে মাপা যায়, এমন প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা ছিল না বলেও পুরসভার পরিদর্শনে উল্লেখ করা হয়েছে।খাবার তৈরি ও পরিবেশনের সময় কর্মীদের মাথায় টুপি বা গায়ে অ্যাপ্রন না থাকার অভিযোগও রয়েছে। পুরসভার রিপোর্ট অনুযায়ী, বেশির ভাগ খাবার খোলা বা ঢাকনাবিহীন অবস্থায় তাক কিংবা রেফ্রিজারেটরে রাখা ছিল।শুধু খাবার সংরক্ষণ নয়, রান্নার জায়গা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। পুরসভার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, রান্নাঘরের বাইরে আলুর তরকারি তৈরি করা হচ্ছিল। পাশাপাশি নিচু জায়গা ও জলাভূমির কাছাকাছি বস্তায় আলু রাখার বিষয়টিও পরিদর্শনে ধরা পড়েছে।বলরাম মল্লিকের দোকান ছাড়াও কলকাতার আরও একাধিক মিষ্টির দোকানের লাইসেন্স সাসপেন্ড করা হয়েছে। পুজোর আগে শহরের খাবারের দোকানগুলিতে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা এবং স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করতেই এই ধরনের অভিযান আরও জোরদার করা হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে।কলকাতা পুরসভার কমিশনার স্মিতা পাণ্ডে জানিয়েছেন, মোট ৪০টি সংস্থার লাইসেন্স সাসপেন্ড করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলি সমস্ত নিয়ম মেনে আবেদন করলে সেই আবেদন খতিয়ে দেখা হবে। অর্থাৎ নিয়ম মেনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার পরেই পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে পুরসভার তরফে জানানো হয়েছে।

সেপ্টেম্বর ০৮, ২০২৬
কলকাতা

নিউ মার্কেটের সেই আগুনের পর বদলে গেল নিয়ম? কলকাতার ৯১৯ হোটেল-গেস্ট হাউসের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ

নিউ মার্কেট এলাকার একটি হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের পর কলকাতার হোটেল ও গেস্ট হাউসগুলির অগ্নিসুরক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে বড় পদক্ষেপ করল নবান্ন। বিশেষজ্ঞ কমিটির রিপোর্টের ভিত্তিতে শহরের ৯১৯টি হোটেল ও গেস্ট হাউসের লাইসেন্স বাতিল করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। আপাতত ওই হোটেল ও গেস্ট হাউসগুলি বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।অগ্নিকাণ্ডের পরেই কলকাতার বিভিন্ন হোটেলে অগ্নিসুরক্ষা ব্যবস্থা কতটা কার্যকর, তা খতিয়ে দেখতে একটি বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠন করে নবান্ন। কমিটির সদস্যরা শহরের ১৬টি ব্যুরোর আওতায় থাকা হোটেল ও গেস্ট হাউসগুলিতে অভিযান চালান। সব মিলিয়ে ৯৬২টি হোটেল ও গেস্ট হাউস পরিদর্শন করা হয়।অভিযানের পর কমিটি নবান্নে রিপোর্ট জমা দেয়। সেই রিপোর্টে ৯১৯টি হোটেল ও গেস্ট হাউসে অগ্নিসুরক্ষা বিধি যথাযথ ভাবে মানা হচ্ছে না বলে উল্লেখ করা হয়েছে। এরপরই ওই হোটেল ও গেস্ট হাউসগুলির লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। প্রশাসনের নির্দেশ অনুযায়ী, আপাতত সেগুলি বন্ধ থাকবে।এর নেপথ্যে রয়েছে নিউ মার্কেট এলাকার একটি হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড। আগস্ট মাসে মির্জা গালিব স্ট্রিটের ১৫ এইচ নম্বর ভবনে থাকা ওই আবাসিক হোটেলে গভীর রাতে আগুন লাগে। রাত আনুমানিক পৌনে দুটো নাগাদ আগুনের সূত্রপাত হয় বলে জানা গিয়েছে। কিছুক্ষণের মধ্যেই আগুন ছড়িয়ে পড়ে এবং হোটেলের ঘরগুলি ঘন কালো ধোঁয়ায় ভরে যায়।আগুন এবং ধোঁয়ার কারণে হোটেলের বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। অনেকেই প্রাণ বাঁচাতে বাইরে বেরোনোর চেষ্টা করেন। কিন্তু ঘন ধোঁয়ার কারণে বেশ কয়েক জন সমস্যায় পড়েন। অনেকে অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং কয়েক জন জ্ঞান হারান বলেও জানা যায়।ভোররাতে উদ্ধার অভিযান চালিয়ে হোটেল থেকে প্রায় ৮০ জনকে উদ্ধার করা হয় বলে জানানো হয়েছিল। ওই ঘটনায় ৯ জনের মৃত্যু হয়। মৃতদের মধ্যে ৮ জন বাংলাদেশি ছিলেন। আরও ৬ জন আহত হন।ঘটনার পরেই কলকাতার হোটেলগুলির অগ্নিসুরক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। এরপর শহরের বিভিন্ন হোটেল ও গেস্ট হাউসে অভিযান চালানোর সিদ্ধান্ত নেয় নবান্ন। সেই অভিযানের রিপোর্টেই উঠে আসে ৯১৯টি হোটেল ও গেস্ট হাউসে অগ্নিসুরক্ষা বিধি না মানার অভিযোগ।রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পরই প্রশাসনের তরফে বড় পদক্ষেপ করা হয়েছে। ৯১৯টি হোটেল ও গেস্ট হাউসের লাইসেন্স বাতিল করে আপাতত সেগুলি বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি অগ্নি ও জরুরি পরিষেবা দফতরের প্রধান সচিবের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ওঙ্কার সিং মিনাকে। নিউ মার্কেটের অগ্নিকাণ্ডের পর কলকাতার হোটেলগুলির নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশাসনের এই পদক্ষেপকে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

সেপ্টেম্বর ০৮, ২০২৬
বিদেশ

দেশে ফেরার ঘোষণা, তার আগেই প্রকাশ্যে হাসিনার সম্পত্তির হিসাব! কত টাকার মালিক প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী?

বাংলাদেশের ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ঘিরে ফের চর্চা শুরু হয়েছে তাঁর সম্পত্তির হিসাব নিয়ে। বাংলাদেশি সংবাদমাধ্যমের দাবি, দেশে গণহত্যার মামলায় দোষী সাব্যস্ত হওয়ার পর তাঁর সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার প্রক্রিয়াও শুরু হয়েছে। এই পরিস্থিতির মধ্যেই প্রকাশ্যে এসেছে হাসিনার হলফনামা, যেখানে তাঁর স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তির হিসাব উল্লেখ রয়েছে বলে জানা যাচ্ছে।হলফনামায় দেওয়া হিসাব অনুযায়ী, বাংলাদেশি মুদ্রায় শেখ হাসিনার মোট সম্পত্তির পরিমাণ প্রায় ৪ কোটি ৩৪ লক্ষ টাকা। ভারতীয় মুদ্রায় যার মূল্য প্রায় ৩ কোটি ৩৩ লক্ষ টাকা। তাঁর হাতে নগদ ছিল ২৮ হাজার ৫০০ বাংলাদেশি টাকা। বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠানে তাঁর প্রায় ২ কোটি ৩৯ লক্ষ বাংলাদেশি টাকা জমা ছিল বলে ওই হিসাব থেকে জানা যাচ্ছে।শুধু ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানে জমা টাকাই নয়, শেখ হাসিনার নামে কৃষিজমিও রয়েছে। হলফনামা অনুযায়ী, তাঁর কৃষিজমির পরিমাণ ১৫ বিঘার বেশি। তাঁর নামে মোট তিনটি গাড়ি রয়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে। এর মধ্যে একটি গাড়ি উপহার হিসেবে পাওয়া। সেই গাড়ির মূল্য হলফনামায় উল্লেখ করা হয়নি। অন্য দুটি গাড়ির সম্মিলিত মূল্য প্রায় ৪৭ লক্ষ ৫০ হাজার বাংলাদেশি টাকা।হলফনামায় সোনা ও অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর মূল্য প্রায় ১৩ লক্ষ ২৫ হাজার বাংলাদেশি টাকা বলে উল্লেখ রয়েছে। এছাড়া আসবাবপত্রের মূল্য প্রায় ৭ লক্ষ ৪০ হাজার বাংলাদেশি টাকা বলে জানা যাচ্ছে। সব মিলিয়ে হলফনামায় শেখ হাসিনার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তির যে হিসাব দেওয়া হয়েছে, তা নিয়েই এখন নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।এই পরিস্থিতির মধ্যেই দেশে ফেরার ইচ্ছার কথাও প্রকাশ্যে জানিয়েছেন শেখ হাসিনা। একটি সাক্ষাৎকারে তাঁকে বলতে শোনা গিয়েছে, তিনি নিজের দেশে ফিরতে চান এবং ফিরবেনই। ডিসেম্বরের মধ্যেই বাংলাদেশে ফেরার ইচ্ছা রয়েছে বলেও জানিয়েছেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংকট অনির্দিষ্টকাল ধরে চলতে দেওয়া যায় না। দেশে ফেরা তাঁর কাছে ক্ষমতায় ফেরার বিষয় নয়, বরং সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ানোর বিষয়।হাসিনার বক্তব্য অনুযায়ী, তিনি সারা জীবন বিদেশে থাকতে পারেন না। নিজের দেশ এবং আপনজনদের কাছে তাঁকে ফিরতেই হবে। বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতির মধ্যেই তাঁর এই মন্তব্য নতুন করে রাজনৈতিক মহলে চর্চা তৈরি করেছে।উল্লেখ্য, ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর থেকেই শেখ হাসিনা ভারতে রয়েছেন। বাংলাদেশে তাঁর বিরুদ্ধে বিচারপ্রক্রিয়া হয়েছে এবং তাঁর বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ডের সাজা ঘোষণার কথাও সামনে এসেছে। তাঁকে বাংলাদেশের হাতে প্রত্যর্পণ করা নিয়ে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে কূটনৈতিক টানাপড়েনও চলছে বলে জানা যাচ্ছে।এরই মধ্যে গত ৫ আগস্ট দিল্লি থেকে ভার্চুয়াল সাংবাদিক সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন শেখ হাসিনা। সেখানেও দেশে ফেরার বিষয়ে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেন তিনি। ডিসেম্বর, অর্থাৎ বাংলাদেশের স্বাধীনতার মাসে দেশে ফেরার ইচ্ছার কথা জানান হাসিনা। তাঁর এই বক্তব্য এবং একই সময়ে প্রকাশ্যে আসা সম্পত্তির হিসাব ঘিরে বাংলাদেশ ও ভারতের রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

সেপ্টেম্বর ০৮, ২০২৬
কলকাতা

ক্যামাক স্ট্রিটের অফিস নিয়ে আরও চাপে অভিষেক! নিম্ন আদালতের নির্দেশ চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে গোয়েঙ্কা পরিবার

ক্যামাক স্ট্রিটের অফিস নিয়ে আরও আইনি চাপে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। নিম্ন আদালতের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে এবার কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হলেন ওই বাড়ির মালিক তথা গোয়েঙ্কা পরিবারের সদস্যরা। মঙ্গলবার হাইকোর্টে আবেদন জানিয়েছেন তাঁরা। মামলাটি উঠেছে বিচারপতি সব্যসাচী ভট্টাচার্যের এজলাসে।ক্যামাক স্ট্রিটের ৯ নম্বর বাড়িটির মালিক রমাদেবী গোয়েঙ্কা। ২০২০ সালে ওই বাড়ি নিয়ে তৃণমূল যুব কংগ্রেসের সঙ্গে তাঁদের চুক্তি হয়েছিল। কিন্তু মালিকপক্ষের অভিযোগ, চুক্তিতে যে শর্তগুলি ছিল, তার সবগুলি মানা হয়নি। তাঁদের দাবি, প্রভাব খাটিয়ে বাড়িটির দুটি তলা দখল করে রাখা হয়েছিল।মালিকপক্ষের আরও অভিযোগ, তাঁদের অনুমতি না নিয়েই বাড়িতে হোর্ডিং বা বিলবোর্ড লাগানো হয়েছিল। শুধু দুটি তলাই নয়, সিঁড়ির নীচের অংশ, গ্যারাজ এবং ছাদও দখল করে রাখা হয়েছে বলে অভিযোগ তাঁদের।এই অভিযোগের ভিত্তিতে ক্যামাক স্ট্রিটের ওই অফিস ছেড়ে দেওয়ার জন্য নোটিস দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সেই নোটিসের উপর স্থগিতাদেশ দেয় নিম্ন আদালত। নিম্ন আদালতের সেই নির্দেশকেই এবার চ্যালেঞ্জ করে কলকাতা হাইকোর্টে মামলা করেছে মালিকপক্ষ।এর মধ্যেই কয়েক দিন আগে ক্যামাক স্ট্রিটের ওই অফিসের হোর্ডিং ঘিরে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল। হোর্ডিংটি অবৈধ বলে অভিযোগ তুলে তা সরাতে গিয়েছিলেন পুরসভার কর্মীরা। তাঁদের সঙ্গে পুলিশও ছিল। অভিযোগ, অফিসে ঢোকার সময় পুরসভার কর্মীদের বাধার মুখে পড়তে হয়।এর পরেই পুলিশ ও তৃণমূল কর্মীদের মধ্যে তীব্র বচসা শুরু হয় বলে অভিযোগ। পরিস্থিতি সামাল দিতে ঘটনাস্থলে পৌঁছন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এবং ডেরেক ওব্রায়েন। অভিযোগ, অফিসে ঢোকার চেষ্টা ঘিরে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। এরপর প্রায় দেড় ঘণ্টা ধরে পুলিশ ও অফিসের কর্মীদের মধ্যে হাতাহাতি চলে বলে অভিযোগ।সেই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই এবার ক্যামাক স্ট্রিটের অফিস নিয়ে মামলা পৌঁছল কলকাতা হাইকোর্টে। নিম্ন আদালতের স্থগিতাদেশকে চ্যালেঞ্জ করে মালিকপক্ষের এই আবেদনের ফলে বিষয়টি নিয়ে নতুন করে আইনি টানাপড়েন তৈরি হয়েছে। গোয়েঙ্কা পরিবারের অভিযোগ এবং হাইকোর্টে তাঁদের আবেদনের পর মামলাটির পরবর্তী গতিপথের দিকেই এখন নজর রয়েছে।

সেপ্টেম্বর ০৮, ২০২৬
রাজ্য

পুজোর আগেই বড় ঘোষণা! আন্দোলনে নামার আগেই ২০ শতাংশ বোনাস চা শ্রমিকদের, বদলে গেল ডুয়ার্সের ছবি

পাহাড়, তরাই, ডুয়ার্স মিলিয়ে প্রায় ২৭৫টি চা বাগানের শ্রমিকদের জন্য পুজোর আগে বড় ঘোষণা হয়েছে। প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, চা শ্রমিকদের ২০ শতাংশ হারে বোনাস দেওয়ার বিষয়ে নির্দেশিকা ঘোষণা করা হয়েছে। ফলে প্রতি বছর পুজোর আগে বোনাসের দাবিতে যে আন্দোলনের ছবি দেখা যেত, এ বার তার আগেই স্বস্তি ফিরেছে শ্রমিকদের মধ্যে।চা শ্রমিকদের বোনাস নিয়ে প্রতি বছরই পুজোর আগে টানাপড়েন তৈরি হয়। কোথাও গেট মিটিং, কোথাও বিক্ষোভ, আবার কোথাও রাস্তা অবরোধ করে নিজেদের দাবি জানাতে দেখা যায় শ্রমিকদের। বোনাস ঘোষণা হওয়ার পরেও টাকা পাওয়া নিয়ে দেরি বা টালবাহানার অভিযোগ ওঠে বিভিন্ন সময়ে। ফলে পুজোর আগে বোনাস নিয়ে চা শ্রমিকদের মধ্যে একটা দুশ্চিন্তা থেকেই যায়।এ বার অবশ্য পরিস্থিতি কিছুটা আলাদা। পুজো আসার বেশ কিছুটা আগেই ২০ শতাংশ বোনাসের ঘোষণা হয়েছে। ফলে আন্দোলনে নামার আগেই বোনাসের খবর পেয়ে স্বস্তি পেয়েছেন চা শ্রমিকেরা। পাহাড়, তরাই এবং ডুয়ার্স মিলিয়ে প্রায় ২৭৫টি চা বাগানে তিন লক্ষেরও বেশি শ্রমিক রয়েছেন বলে প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে।জলপাইগুড়ি জেলাতেও এই ঘোষণার প্রভাব পড়েছে। জেলায় ছোট-বড় মিলিয়ে প্রায় ৯০টি চা বাগান রয়েছে। এই বাগানগুলির শ্রমিকদের কাছে পুজোর বোনাস অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ বছরের এই সময় বোনাসের টাকাতেই বহু পরিবার পুজোর কেনাকাটা থেকে শুরু করে সংসারের নানা প্রয়োজন মেটায়।শ্রমিকদের একাংশ জানিয়েছেন, বোনাসের টাকা হাতে এলে সন্তানদের নতুন পোশাক কিনে দিতে পারবেন তাঁরা। নিজেদের জন্যও নতুন জামাকাপড় কেনার পাশাপাশি পুজোর কয়েক দিন পরিবারের জন্য ভালো খাবারের ব্যবস্থা করা সম্ভব হবে। অনেকের বাড়িতে দীর্ঘদিন ধরে মেরামতের প্রয়োজন রয়েছে। বোনাসের টাকা দিয়ে সেই কাজও সেরে নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে অনেক পরিবারের।চা শ্রমিকদের বক্তব্য, প্রতি বছর পুজোর আগে বোনাসের জন্য আন্দোলন করতে হবে কি না, তা নিয়ে চিন্তা থাকত। এ বার আগেই ২০ শতাংশ বোনাসের ঘোষণা হওয়ায় সেই দুশ্চিন্তা অনেকটাই কমেছে। আন্দোলনে নামার আগেই দাবি মিটতে চলায় খুশি তাঁরা।এর মধ্যেই চা শ্রমিকদের বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে গুরুত্ব দেওয়ার কথা জানিয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। মঙ্গলবার কালিম্পঙে প্রশাসনিক আধিকারিকদের সঙ্গে তাঁর বৈঠক করার কথা ছিল। তবে খারাপ আবহাওয়ার কারণে তাঁর কপ্টার সেখানে নামতে পারেনি। পরে উত্তরকন্যা থেকে ভার্চুয়ালি প্রশাসনিক আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করার কথা জানা গিয়েছে।সব মিলিয়ে পুজোর আগে ২০ শতাংশ বোনাসের ঘোষণা চা শ্রমিকদের কাছে বড় স্বস্তির খবর। বোনাসের টাকায় নতুন পোশাক কেনা, পুজোর বাজার করা, পরিবারের জন্য ভালো খাবারের ব্যবস্থা এবং ঘরদোর মেরামতের পরিকল্পনা করছেন অনেকেই। ফলে পুজোর আগে ডুয়ার্সের চা বাগানগুলিতে এ বার আন্দোলনের বদলে উৎসবের প্রস্তুতির ছবিই বেশি চোখে পড়ছে।

সেপ্টেম্বর ০৮, ২০২৬
কলকাতা

বাংলায় এসে বাঙালিকেই অপমান? বাগেশ্বর বাবার বিরুদ্ধে আইনের পথে কংগ্রেস

দুর্গাপুজোয় মাছ-মাংস খাওয়া নিয়ে বাগেশ্বর বাবার মন্তব্যের প্রতিবাদে ভবানীপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করল প্রদেশ কংগ্রেস। মঙ্গলবার মধ্য কলকাতা জেলা কংগ্রেসের সভাপতি মানস সরকার থানায় অভিযোগ করেন। তিনি চৌরঙ্গির প্রার্থীও। দক্ষিণ কলকাতা জেলা কংগ্রেসের সভাপতি প্রদীপ প্রসাদও এই পদক্ষেপকে সমর্থন করেছেন বলে জানা গিয়েছে।কংগ্রেসের অভিযোগ, বাংলায় এসে বাঙালির খাদ্যাভ্যাস এবং দুর্গাপুজো পালনের রীতি নিয়ে বাগেশ্বর বাবা মন্তব্য করেছেন। তাঁদের দাবি, এ ভাবে বাঙালির সংস্কৃতি নিয়ে মন্তব্য করা অবমাননাকর। অভিযোগপত্রে বাগেশ্বর বাবার বক্তব্যের কয়েকটি শব্দপ্রয়োগের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।অভিযোগ দায়েরের সময় ভবানীপুর থানার সামনে কংগ্রেসের কর্মী ও সমর্থকেরা জমায়েত করেন। সেখানে বাগেশ্বর বাবার মন্তব্যের প্রতিবাদে বিক্ষোভও দেখানো হয়। মুখ্যমন্ত্রীর বিধানসভা কেন্দ্র ভবানীপুরে এই অভিযোগ দায়ের হওয়ায় রাজনৈতিক মহলে বিষয়টি নিয়ে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে।এই বিতর্কের সূত্রপাত হাওড়ায় একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠানে বাগেশ্বর বাবার বক্তব্যকে ঘিরে। অভিযোগ, সেখানে তিনি দুর্গাপুজোর সময়ে বাঙালির খাদ্যাভ্যাস নিয়ে মন্তব্য করেন। পুজোর সময়ে যাঁরা মাছ-মাংস খান, তাঁদের ধর্মীয় আচরণ নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি। এমনকি তাঁদের ভণ্ড বলেও মন্তব্য করেন বলে অভিযোগ।বাঙালির পুজোর সময়ে কী খাওয়া উচিত, তা নিয়েও বাগেশ্বর বাবা মন্তব্য করেন বলে দাবি করা হয়েছে। তাঁর সেই বক্তব্য প্রকাশ্যে আসার পরেই শুরু হয় তীব্র বিতর্ক। রাজনৈতিক দলগুলি নিজেদের মতো করে এই মন্তব্যের প্রতিক্রিয়া জানাতে শুরু করে।এই বিতর্কে বিজেপির কয়েক জন নেতাও বাঙালির খাদ্যাভ্যাসের পক্ষেই সুর মিলিয়েছেন। দিলীপ ঘোষ এবং শমীক ভট্টাচার্যের বক্তব্য, বাঙালি এত দিন যেভাবে দুর্গাপুজো পালন করে এসেছে, এ বারও সেভাবেই পালন করবে। কে মাছ-মাংস খাবেন আর কে নিরামিষ খাবেন, তা ব্যক্তিগত পছন্দের বিষয় বলেই তাঁদের মত।তবে বিষয়টি এখানেই থামাতে চাইছে না কংগ্রেস। দলের অভিযোগ, বাঙালি কী ভাবে দুর্গাপুজো পালন করবে বা কী খাবেন, সেই বিষয়ে বাইরে থেকে কোনও নির্দেশ চাপিয়ে দেওয়া উচিত নয়। মানস সরকারের অভিযোগপত্রেও এই বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে।কংগ্রেসের আরও দাবি, বাঙালির সংস্কৃতি ও খাদ্যাভ্যাস নিয়ে বাগেশ্বর বাবার মন্তব্যের বিরুদ্ধে পুলিশ যথাযথ পদক্ষেপ করুক। এই অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ কী ব্যবস্থা নেয়, এখন সে দিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।দুর্গাপুজোয় আমিষ না নিরামিষএই বিতর্ক ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক তরজায় পরিণত হয়েছে। তার মধ্যেই বাগেশ্বর বাবার বিরুদ্ধে ভবানীপুর থানায় অভিযোগ দায়ের হওয়ায় বিতর্ক আরও নতুন মোড় নিল।

সেপ্টেম্বর ০৮, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal